নওগাঁয় একটি বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নওগাঁ সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বিলভবানীপুর (পূর্বপাড়া) গ্রামের মনতাসুর রহমানের বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও গ্রামবাসীদের ধারণা, অজ্ঞাত ওই নারীকে অন্য কোথাও হত্যা করে মৃতদেহটি গোপন করার উদ্দেশ্যে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বাড়ির মালিক মনতাসুর রহমান জানান, গতকাল সোমবার সকাল ৮ টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয় তার বাড়ির টয়লেটের ট্যাংকির ভেতরে একটি নারীর মৃতদেহ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে দেরি হওয়ায় তিনি রাতে নওগাঁ সদর মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দেরকে নিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নিয়ামুল হক বলেন, মৃতদেহটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
নওগাঁয় একটি বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নওগাঁ সদর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বিলভবানীপুর (পূর্বপাড়া) গ্রামের মনতাসুর রহমানের বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে এক অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও গ্রামবাসীদের ধারণা, অজ্ঞাত ওই নারীকে অন্য কোথাও হত্যা করে মৃতদেহটি গোপন করার উদ্দেশ্যে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বাড়ির মালিক মনতাসুর রহমান জানান, গতকাল সোমবার সকাল ৮ টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয় তার বাড়ির টয়লেটের ট্যাংকির ভেতরে একটি নারীর মৃতদেহ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে দেরি হওয়ায় তিনি রাতে নওগাঁ সদর মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দেরকে নিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।
নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নিয়ামুল হক বলেন, মৃতদেহটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা হচ্ছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন