নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে কৃত্রিম প্রজনন (এআই) টেকনিশিয়ান নিয়োগকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। গোপনে অর্থের বিনিময়ে ভুয়া প্রার্থী দেখিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ সামনে আসতেই গোটা উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ডিমলা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সদর ইউনিয়ন বাদে আগেই ৯টি ইউনিয়নে এআই টেকনিশিয়ান নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়। অথচ সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ৮ থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ না থাকলেও সেই নিয়ম উপেক্ষা করেই ডিমলা সদর ইউনিয়নে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মদন কুমার রায় এবং জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. কাজী মাহবুবুর রহমানের যোগসাজশে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখানো হয়। পরে চারজন ভুয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপস্থাপন করে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ডিমলা সদর ইউনিয়নের এআই টেকনিশিয়ান হিসেবে সনাতন কুমার সেনকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই পদ্ধতিতে ডোমার উপজেলাতেও একজন প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন বলে দাবি উঠেছে।
অনুসন্ধানে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। প্রদর্শিত প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীর নাম-ঠিকানা যাচাই করে কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হঠাৎ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয় এবং একই সঙ্গে দপ্তরের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়। রাতের আঁধারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এই ঘটনাকে অনেকেই অনিয়ম আড়াল করার কৌশল হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মদন কুমার রায় বলেন, “নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার আমার নয়।অপরদিকে জেলা কৃত্রিম প্রজনন কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ডা. কাজী মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা কেবল প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করেছি। চূড়ান্ত নিয়োগ দিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. নায়েরুজ্জামান জানান,অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনায় স্থানীয় খামারি ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন—সরকারি দপ্তরে যদি এভাবে ভুয়া নিয়োগ ও অর্থ বাণিজ্য চলে, তবে সাধারণ জনগণ ও খামারিরা কতটা নিরাপদ? দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
র নয়।অপরদিকে জেলা কৃত্রিম প্রজনন কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ডা. কাজী মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা কেবল প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করেছি। চূড়ান্ত নিয়োগ দিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. নায়েরুজ্জামান জানান,অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনায় স্থানীয় খামারি ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন—সরকারি দপ্তরে যদি এভাবে ভুয়া নিয়োগ ও অর্থ বাণিজ্য চলে, তবে সাধারণ জনগণ ও খামারিরা কতটা নিরাপদ দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে কৃত্রিম প্রজনন (এআই) টেকনিশিয়ান নিয়োগকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। গোপনে অর্থের বিনিময়ে ভুয়া প্রার্থী দেখিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ সামনে আসতেই গোটা উপজেলাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ডিমলা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সদর ইউনিয়ন বাদে আগেই ৯টি ইউনিয়নে এআই টেকনিশিয়ান নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়। অথচ সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ৮ থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ না থাকলেও সেই নিয়ম উপেক্ষা করেই ডিমলা সদর ইউনিয়নে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মদন কুমার রায় এবং জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. কাজী মাহবুবুর রহমানের যোগসাজশে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখানো হয়। পরে চারজন ভুয়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপস্থাপন করে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ডিমলা সদর ইউনিয়নের এআই টেকনিশিয়ান হিসেবে সনাতন কুমার সেনকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই পদ্ধতিতে ডোমার উপজেলাতেও একজন প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন বলে দাবি উঠেছে।
অনুসন্ধানে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। প্রদর্শিত প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থীর নাম-ঠিকানা যাচাই করে কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে হঠাৎ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয় এবং একই সঙ্গে দপ্তরের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়। রাতের আঁধারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের এই ঘটনাকে অনেকেই অনিয়ম আড়াল করার কৌশল হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মদন কুমার রায় বলেন, “নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার আমার নয়।অপরদিকে জেলা কৃত্রিম প্রজনন কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ডা. কাজী মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা কেবল প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করেছি। চূড়ান্ত নিয়োগ দিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. নায়েরুজ্জামান জানান,অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনায় স্থানীয় খামারি ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন—সরকারি দপ্তরে যদি এভাবে ভুয়া নিয়োগ ও অর্থ বাণিজ্য চলে, তবে সাধারণ জনগণ ও খামারিরা কতটা নিরাপদ? দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
র নয়।অপরদিকে জেলা কৃত্রিম প্রজনন কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ডা. কাজী মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা কেবল প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করেছি। চূড়ান্ত নিয়োগ দিয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মো. নায়েরুজ্জামান জানান,অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এই ঘটনায় স্থানীয় খামারি ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন—সরকারি দপ্তরে যদি এভাবে ভুয়া নিয়োগ ও অর্থ বাণিজ্য চলে, তবে সাধারণ জনগণ ও খামারিরা কতটা নিরাপদ দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন