ঢাকা   বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

না পেয়ে ব্যবসায়ীর মালামাল লুট ও ভাঙচুরের অভিযোগ বিএনপি

নির্বাচন পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ



নির্বাচন পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ

পাবনার ঈশ্বরদীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার খরচের কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তা না পেয়ে মারধর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বড়ইচারা এলাকায় অবস্থিত বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার প্রতিবাদ ও বিস্তারিত তুলে ধরতে একই দিন সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী পৌর শহরের ইস্তা এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রুমন আলী। তিনি ঈশ্বরদী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।


সংবাদ সম্মেলনে রুমন আলী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডে মালামাল সরবরাহ করে আসলেও রোববার দুপুরে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের পক্ষ থেকে তার কাছে পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের পলিথিনজাত মালামাল জোরপূর্বক নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ভুটভুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং গাড়ির চালককে মারধর করা হয়। এর আগেও গত ২৮ জানুয়ারি একই পক্ষ তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।


রুমন আলী বলেন, ঘটনার পর থেকে তিনি নিজের জীবন ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন। দ্রুত ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাসান আলী বিশ্বাস বলেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। কাউকে চাঁদা আদায়ের নির্দেশ দেননি বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল মিয়া জানান, অভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


নির্বাচন পরিচালনার জন্য ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পাবনার ঈশ্বরদীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার খরচের কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং তা না পেয়ে মারধর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।


রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বড়ইচারা এলাকায় অবস্থিত বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।


ঘটনার প্রতিবাদ ও বিস্তারিত তুলে ধরতে একই দিন সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী পৌর শহরের ইস্তা এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রুমন আলী। তিনি ঈশ্বরদী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।


সংবাদ সম্মেলনে রুমন আলী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডে মালামাল সরবরাহ করে আসলেও রোববার দুপুরে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের পক্ষ থেকে তার কাছে পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের পলিথিনজাত মালামাল জোরপূর্বক নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন।


তিনি আরও জানান, এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ভুটভুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং গাড়ির চালককে মারধর করা হয়। এর আগেও গত ২৮ জানুয়ারি একই পক্ষ তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।


রুমন আলী বলেন, ঘটনার পর থেকে তিনি নিজের জীবন ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন। দ্রুত ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাসান আলী বিশ্বাস বলেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। কাউকে চাঁদা আদায়ের নির্দেশ দেননি বলেও দাবি করেন তিনি।


এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল মিয়া জানান, অভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত