কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। হাসনাত আবদুল্লার নির্বাচনী এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাঁর ব্যানারে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত ও মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রোববার বিকেলে (০২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বরকামতা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে এবং রসুলপুর ইউনিয়নের খাইয়ার এলাকায় হাসনাত আবদুল্লার নির্বাচনী ব্যানারে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর পরে বরকামতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এনসিপির কর্মী মোহাম্মদ কাওসার আলমকে রাস্তায় একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে নির্মমভাবে মারধর করে মৃতপ্রায় অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে নষ্ট করতেই এই হামলা ও ব্যানার পোড়ানোর ঘটনা ঘটানো হয়েছে। দলটির দাবি, “আজ বিকেলে আমাদের নির্বাচনী ব্যানার পুড়িয়ে দিয়ে সন্ত্রাস ও ভীতির রাজনীতি চালানো হয়েছে।”
এবিষয়ে ২ ফেব্রুয়ারী রাত ১১.৪৫ মিনিটে হাসনাত আবদুল্লার ভেরিফাই ফেজবুক পেজের এক পোষ্টে হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে একটি পোষ্ট দেওয়া হয়েছে। পোষ্টে তিলি লিখেন, এই হামলা ও নৈরাজ্যের পেছনে থাকা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানানো হয়।
দলটির নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ইনশাআল্লাহ দেবিদ্বারবাসী এই সন্ত্রাসের উপযুক্ত জবাব আগামী ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে।”
ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। হাসনাত আবদুল্লার নির্বাচনী এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাঁর ব্যানারে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক কর্মীকে ছুরিকাঘাত ও মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রোববার বিকেলে (০২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বরকামতা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে এবং রসুলপুর ইউনিয়নের খাইয়ার এলাকায় হাসনাত আবদুল্লার নির্বাচনী ব্যানারে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর পরে বরকামতা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এনসিপির কর্মী মোহাম্মদ কাওসার আলমকে রাস্তায় একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে নির্মমভাবে মারধর করে মৃতপ্রায় অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে নষ্ট করতেই এই হামলা ও ব্যানার পোড়ানোর ঘটনা ঘটানো হয়েছে। দলটির দাবি, “আজ বিকেলে আমাদের নির্বাচনী ব্যানার পুড়িয়ে দিয়ে সন্ত্রাস ও ভীতির রাজনীতি চালানো হয়েছে।”
এবিষয়ে ২ ফেব্রুয়ারী রাত ১১.৪৫ মিনিটে হাসনাত আবদুল্লার ভেরিফাই ফেজবুক পেজের এক পোষ্টে হামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে একটি পোষ্ট দেওয়া হয়েছে। পোষ্টে তিলি লিখেন, এই হামলা ও নৈরাজ্যের পেছনে থাকা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানানো হয়।
দলটির নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ইনশাআল্লাহ দেবিদ্বারবাসী এই সন্ত্রাসের উপযুক্ত জবাব আগামী ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে।”
ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন