চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানা এলাকা থেকে রাকিবুল ইসলাম আসিফ (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। তিনি অপহরণ করে পর্নোগ্রাফিক ছবি ও ভিডিও তৈরিসহ চাঁদাবাজির মামলার আসামি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে আকবরশাহ থানার মিনার চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাকিবুল ইসলাম আসিফ নগরের নিউ মনছুরাবাদ এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন।
তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট রাকিবুল ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে অপহরণ, পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে যে ওই মামলার পলাতক আসামি আকবরশাহ থানা এলাকায় অবস্থান করছে। পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আকবরশাহ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানা এলাকা থেকে রাকিবুল ইসলাম আসিফ (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। তিনি অপহরণ করে পর্নোগ্রাফিক ছবি ও ভিডিও তৈরিসহ চাঁদাবাজির মামলার আসামি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে আকবরশাহ থানার মিনার চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাকিবুল ইসলাম আসিফ নগরের নিউ মনছুরাবাদ এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন।
তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১৬ আগস্ট রাকিবুল ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে অপহরণ, পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে যে ওই মামলার পলাতক আসামি আকবরশাহ থানা এলাকায় অবস্থান করছে। পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক আরও জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আকবরশাহ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন