নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) শেখ মনোয়ার মোর্শেদের বিরুদ্ধে সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সমালোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নীলফামারী-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহরিন ইসলাম তুহিনের পক্ষে ভোট প্রার্থনার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে কর্মরত মাঠ পর্যায়ের ইলেকট্রিশিয়ান ও কর্মচারীদের ডেকে আনা হয়। সমিতির প্রধান ফটকের সামনে এ উপলক্ষে একটি নির্বাচনী সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম তুহিন। এ সময় তার পাশে উপস্থিত থেকে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম শেখ মনোয়ার মোর্শেদ কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে ভোট প্রার্থনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সমাবেশে শেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মাইনুদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চাকরিবিধি ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে একাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইলেকট্রিশিয়ান জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভোট চাইতে এলে তা শোনা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে দাপ্তরিক ক্ষমতা ব্যবহার করে কর্মচারীদের ডেকে এনে একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে সমাবেশ আয়োজন ও ভোট চাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, এতে করে জেনারেল ম্যানেজার সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শেখ মনোয়ার মোর্শেদ বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেননি। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) শেখ মনোয়ার মোর্শেদের বিরুদ্ধে সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সমালোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নীলফামারী-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহরিন ইসলাম তুহিনের পক্ষে ভোট প্রার্থনার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে কর্মরত মাঠ পর্যায়ের ইলেকট্রিশিয়ান ও কর্মচারীদের ডেকে আনা হয়। সমিতির প্রধান ফটকের সামনে এ উপলক্ষে একটি নির্বাচনী সমাবেশ আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম তুহিন। এ সময় তার পাশে উপস্থিত থেকে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম শেখ মনোয়ার মোর্শেদ কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে ভোট প্রার্থনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সমাবেশে শেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মাইনুদ্দিনও উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চাকরিবিধি ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে একাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইলেকট্রিশিয়ান জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভোট চাইতে এলে তা শোনা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে দাপ্তরিক ক্ষমতা ব্যবহার করে কর্মচারীদের ডেকে এনে একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে সমাবেশ আয়োজন ও ভোট চাওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, এতে করে জেনারেল ম্যানেজার সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শেখ মনোয়ার মোর্শেদ বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেননি। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন