ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR)-এর কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল (Note Verbale) প্রেরণ করে। এতে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
জেনেভা থেকে পাঠানো এক বার্তায় বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে, OHCHR-এর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।
এদিকে বাংলাদেশ সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে, শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানিয়েছে সরকার।

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR)-এর কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল (Note Verbale) প্রেরণ করে। এতে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
জেনেভা থেকে পাঠানো এক বার্তায় বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে, OHCHR-এর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।
এদিকে বাংলাদেশ সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে, শহিদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানিয়েছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন