নীলফামারীতে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া এক জনপ্রতিনিধির ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলা বিএনপি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্বাচন পরিবেশ বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
রোববার দুপুরে নীলফামারী প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির নেতারা ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুরুজ আলীর ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল। এ সময় জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নুর আলম এবং জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মগনি মাসুদুল আলম দুলালসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্প্রতি ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ পরিষদের সকল সদস্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ইউপি সদস্য সুরুজ আলীকে কয়েক দিন আগে দুই দফা হেনস্তার শিকার হতে হয়। সর্বশেষ শনিবার রাতে তার ওপর পুনরায় হামলা চালানো হলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল অভিযোগ করে বলেন, “নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে জামায়াত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।” তিনি জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে রিটার্নিং অফিসারকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক বলেন, “নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক মতপার্থক্য, পোস্টার ছেঁড়াছেঁড়ি কিংবা বাকবিতণ্ডা থাকতে পারে। কিন্তু হামলা ও শারীরিক আক্রমণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা।” তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জেলা বিএনপি নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা জনগণ প্রতিহত করবে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীতে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া এক জনপ্রতিনিধির ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেলা বিএনপি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্বাচন পরিবেশ বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
রোববার দুপুরে নীলফামারী প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির নেতারা ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুরুজ আলীর ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক ও সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল। এ সময় জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নুর আলম এবং জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মগনি মাসুদুল আলম দুলালসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্প্রতি ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ পরিষদের সকল সদস্য বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ইউপি সদস্য সুরুজ আলীকে কয়েক দিন আগে দুই দফা হেনস্তার শিকার হতে হয়। সর্বশেষ শনিবার রাতে তার ওপর পুনরায় হামলা চালানো হলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল অভিযোগ করে বলেন, “নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে জামায়াত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব সহিংস কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।” তিনি জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে রিটার্নিং অফিসারকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক বলেন, “নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক মতপার্থক্য, পোস্টার ছেঁড়াছেঁড়ি কিংবা বাকবিতণ্ডা থাকতে পারে। কিন্তু হামলা ও শারীরিক আক্রমণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি একটি সুপরিকল্পিত ঘটনা।” তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
জেলা বিএনপি নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা জনগণ প্রতিহত করবে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন