ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় কমিশন।
এর আগে রোববার ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল ইসি। ওই সিদ্ধান্তে সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়, কারণ ভোটগ্রহণের দিন তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং দ্রুত প্রতিবেদন তৈরিতে মোবাইল ফোন সাংবাদিকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্ম–উপকরণ।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে সাধারণভাবে মোবাইল ফোন বহনের অনুমতি থাকবে কেবল প্রিসাইডিং অফিসার, কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা–২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার সদস্যের জন্য। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বার্থে নির্দিষ্ট অনুমতি সাপেক্ষে সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে ও নিরাপদ পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ভারসাম্য রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রত্যাহার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় কমিশন।
এর আগে রোববার ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল ইসি। ওই সিদ্ধান্তে সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়, কারণ ভোটগ্রহণের দিন তথ্য সংগ্রহ, ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং দ্রুত প্রতিবেদন তৈরিতে মোবাইল ফোন সাংবাদিকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্ম–উপকরণ।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে সাধারণভাবে মোবাইল ফোন বহনের অনুমতি থাকবে কেবল প্রিসাইডিং অফিসার, কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা–২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার সদস্যের জন্য। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের স্বার্থে নির্দিষ্ট অনুমতি সাপেক্ষে সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে ও নিরাপদ পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ভারসাম্য রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

আপনার মতামত লিখুন