বরগুনার পাথরঘাটায় বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সারওয়ার হিরোর ওপর হামলার প্রতিবাদে পাথরঘাটা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় জনসাধারণ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার প্রধান সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ থানার সামনে জড়ো হয়ে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
গোলাম সারওয়ার হিরো জানান, দুপুরে খাবার শেষে হাতঘড়ি মেরামতের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে বাড়ির সামনের মেইন সড়কে দুর্বৃত্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তিনজন তাকে মারধর করে। তিনি একজনের নাম মো. রানাকে শনাক্ত করতে পেরেছেন বলে জানান।
তার স্ত্রী ও কালমেঘা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুর আফরোজা হ্যাপি অভিযোগ করেন, বাজারে যাওয়ার পথে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার খবর পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীসহ জেলা পর্যায়ের নেতারা আহতের খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার নিন্দা জানান। জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আবু জাফর মো. ছালেহ বলেন, একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
পরে জামায়াত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের মধ্যস্থতায় বিক্ষোভকারীরা থানা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া গেলেও দলটির এক নেতা হামলার নিন্দা জানান।সর্বোপরি পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তার চিকিৎসা প্রদান করা হয় চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে আসেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী জনাব মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী।

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনার পাথরঘাটায় বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সারওয়ার হিরোর ওপর হামলার প্রতিবাদে পাথরঘাটা থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় জনসাধারণ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার প্রধান সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ থানার সামনে জড়ো হয়ে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
গোলাম সারওয়ার হিরো জানান, দুপুরে খাবার শেষে হাতঘড়ি মেরামতের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে বাড়ির সামনের মেইন সড়কে দুর্বৃত্তরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তিনজন তাকে মারধর করে। তিনি একজনের নাম মো. রানাকে শনাক্ত করতে পেরেছেন বলে জানান।
তার স্ত্রী ও কালমেঘা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুর আফরোজা হ্যাপি অভিযোগ করেন, বাজারে যাওয়ার পথে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার খবর পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থীসহ জেলা পর্যায়ের নেতারা আহতের খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার নিন্দা জানান। জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আবু জাফর মো. ছালেহ বলেন, একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
পরে জামায়াত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের মধ্যস্থতায় বিক্ষোভকারীরা থানা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়া গেলেও দলটির এক নেতা হামলার নিন্দা জানান।সর্বোপরি পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তার চিকিৎসা প্রদান করা হয় চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে আসেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী জনাব মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী।

আপনার মতামত লিখুন