নীলফামারীর সৈয়দপুরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে শহরের নতুন বাবুপাড়া এলাকায় অবস্থিত নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি এসে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ তুলে হঠাৎ উত্তেজনা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং কার্যালয়ের সামনে থাকা একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে। এতে পাঁচজন গুরুতর আহত হন।
পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়ক গ্রেনেট বাবু অভিযোগ করে বলেন, “আমরা কার্যালয়ে পৌঁছানোর পরপরই একটি মব তৈরি করা হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের মারধর করা হয় এবং মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।”
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, “ঘটনার সময় আমি একটি মিলাদ মাহফিলে ছিলাম। আমার নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত সমর্থিত কিছু লোক ভোটারদের টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে চিৎকার করে কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে আমার পাঁচজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আমরা প্রশাসনের সহায়তা চাই এবং থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
এ বিষয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনাটি ঘটেছে। তবে আমি বর্তমানে বাইরে রয়েছি, এ মুহূর্তে বিস্তারিত বলার সুযোগ নেই।”
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে শহরের নতুন বাবুপাড়া এলাকায় অবস্থিত নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি এসে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ তুলে হঠাৎ উত্তেজনা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে তারা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং কার্যালয়ের সামনে থাকা একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করে। এতে পাঁচজন গুরুতর আহত হন।
পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়ক গ্রেনেট বাবু অভিযোগ করে বলেন, “আমরা কার্যালয়ে পৌঁছানোর পরপরই একটি মব তৈরি করা হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের মারধর করা হয় এবং মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। আমরা এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।”
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক বলেন, “ঘটনার সময় আমি একটি মিলাদ মাহফিলে ছিলাম। আমার নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত সমর্থিত কিছু লোক ভোটারদের টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে চিৎকার করে কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে আমার পাঁচজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আমরা প্রশাসনের সহায়তা চাই এবং থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
এ বিষয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনাটি ঘটেছে। তবে আমি বর্তমানে বাইরে রয়েছি, এ মুহূর্তে বিস্তারিত বলার সুযোগ নেই।”
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন