চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় নির্বাচনের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে রাজস্ব ফাঁকি ও পণ্য পাচারের একটি বড় চেষ্টা নসাৎ করে দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটের চার যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, রাত ৮:৪৫ থেকে ৮:৫৫ মিনিটের মধ্যে এনএসআই (NSI), কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স এবং বিমানবন্দর কাস্টমস শাখা যৌথভাবে এই বিশেষ অভিযান চালায়। তল্লাশিতে শারজাহ থেকে আগত এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইট (G9-520) এবং দুবাই থেকে আগত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট (BS-344)-এর চার যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে মোট ৩২০ কার্টুন মন্ড (Mond) সিগারেট এবং ৫২০টি আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত পণ্য বহনে জড়িত চার যাত্রী হলেন:
জিয়াউল হক (ছাগলনাইয়া, ফেনী) – শারজাহ থেকে আগত। দোলন শীল (রাউজান, চট্টগ্রাম) – শারজাহ থেকে আগত। শহীদ উল্লাহ (ছাগলনাইয়া, ফেনী) – শারজাহ থেকে আগত। শফিউর রহমান (ফেনী সদর, ফেনী) – দুবাই থেকে আগত।
জব্দকৃত ৩২০ কার্টুন সিগারেট থেকে আনুমানিক ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সিগারেটের চালানটি 'ডিপার্টমেন্টাল মেমোরান্ডা' (DM) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত চার যাত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর এনএসআই ও কাস্টমস শাখা কর্তৃক মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শাহ আমানত আন্তজার্তিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যস্ততাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একদল অসাধু চক্র আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য অনুপ্রবেশ ও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে বিমানবন্দর এনএসআই, কাস্টমস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিবিড় নজরদারির কারণে এই অপচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। জনস্বার্থে এবং দেশের অর্থনীতি রক্ষায় এ ধরনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় নির্বাচনের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে রাজস্ব ফাঁকি ও পণ্য পাচারের একটি বড় চেষ্টা নসাৎ করে দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে দুবাই ও শারজাহ থেকে আসা পৃথক দুটি ফ্লাইটের চার যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম জব্দ করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, রাত ৮:৪৫ থেকে ৮:৫৫ মিনিটের মধ্যে এনএসআই (NSI), কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স এবং বিমানবন্দর কাস্টমস শাখা যৌথভাবে এই বিশেষ অভিযান চালায়। তল্লাশিতে শারজাহ থেকে আগত এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইট (G9-520) এবং দুবাই থেকে আগত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট (BS-344)-এর চার যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে মোট ৩২০ কার্টুন মন্ড (Mond) সিগারেট এবং ৫২০টি আমদানি নিষিদ্ধ বিউটি ক্রিম উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত পণ্য বহনে জড়িত চার যাত্রী হলেন:
জিয়াউল হক (ছাগলনাইয়া, ফেনী) – শারজাহ থেকে আগত। দোলন শীল (রাউজান, চট্টগ্রাম) – শারজাহ থেকে আগত। শহীদ উল্লাহ (ছাগলনাইয়া, ফেনী) – শারজাহ থেকে আগত। শফিউর রহমান (ফেনী সদর, ফেনী) – দুবাই থেকে আগত।
জব্দকৃত ৩২০ কার্টুন সিগারেট থেকে আনুমানিক ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সিগারেটের চালানটি 'ডিপার্টমেন্টাল মেমোরান্ডা' (DM) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত চার যাত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর এনএসআই ও কাস্টমস শাখা কর্তৃক মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শাহ আমানত আন্তজার্তিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যস্ততাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একদল অসাধু চক্র আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য অনুপ্রবেশ ও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে বিমানবন্দর এনএসআই, কাস্টমস ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিবিড় নজরদারির কারণে এই অপচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। জনস্বার্থে এবং দেশের অর্থনীতি রক্ষায় এ ধরনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন