ঢাকা   মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

দেড় হাজার কর্মচারীকে স্থায়ী করলেন চসিক মেয়র শাহাদাত



দেড় হাজার কর্মচারীকে স্থায়ী করলেন চসিক মেয়র শাহাদাত

চসিকে অস্থায়ীভাবে কর্মরত বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৯ পদের ৪৫৯ কর্মচারীকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থায়ী করা হয়েছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫০ কর্মচারীকে স্থায়ী করা হলো।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়কালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

মেয়র বলেন, চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল রাখতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


দীর্ঘদিন অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীরা নিষ্ঠা, সততার সাথে কাজ করে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ন্যায্য অধিকার ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

অস্থায়ী কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। প্রশাসনিক কাঠামো, আর্থিক সক্ষমতা ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে যোগ্য কর্মচারীদের স্থায়ী করা হবে।

এতে কর্মপরিবেশ আরও স্থিতিশীল হবে এবং সেবার মান বাড়বে। 

অস্থায়ী যে সব কর্মচারীকে স্থায়ী করার জন্য জনবল কাঠামোতে পদ আছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র আছে সেসব পদে আমরা পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করে দিচ্ছি, এর বাইরে যারা অস্থায়ী আছেন তাদের স্থায়ীকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পদে কর্মরত অস্থায়ী কর্মচারীদেরও স্থায়ী করে দেওয়া হবে। 


মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, কর্মচারীদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত হলে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও কর্মউদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়, যা সরাসরি নগরবাসীর সেবায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তিনি সবাইকে আন্তরিকতা ও জবাবদিহির সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

স্থায়ী করা ৪৫৯ জন কর্মচারী বিভিন্ন কারিগরি, প্রশাসনিক ও সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস সহায়তা, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা সংশ্লিষ্ট পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

এ সময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


দেড় হাজার কর্মচারীকে স্থায়ী করলেন চসিক মেয়র শাহাদাত

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

চসিকে অস্থায়ীভাবে কর্মরত বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৯ পদের ৪৫৯ কর্মচারীকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থায়ী করা হয়েছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫০ কর্মচারীকে স্থায়ী করা হলো।


সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়কালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।


মেয়র বলেন, চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল রাখতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


দীর্ঘদিন অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীরা নিষ্ঠা, সততার সাথে কাজ করে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ন্যায্য অধিকার ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।


অস্থায়ী কর্মচারীদের পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। প্রশাসনিক কাঠামো, আর্থিক সক্ষমতা ও বিধিবিধান পর্যালোচনা করে ধাপে ধাপে যোগ্য কর্মচারীদের স্থায়ী করা হবে।


এতে কর্মপরিবেশ আরও স্থিতিশীল হবে এবং সেবার মান বাড়বে। 


অস্থায়ী যে সব কর্মচারীকে স্থায়ী করার জন্য জনবল কাঠামোতে পদ আছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র আছে সেসব পদে আমরা পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করে দিচ্ছি, এর বাইরে যারা অস্থায়ী আছেন তাদের স্থায়ীকরণের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পদে কর্মরত অস্থায়ী কর্মচারীদেরও স্থায়ী করে দেওয়া হবে। 


মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, কর্মচারীদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত হলে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও কর্মউদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়, যা সরাসরি নগরবাসীর সেবায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।


তিনি সবাইকে আন্তরিকতা ও জবাবদিহির সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।


স্থায়ী করা ৪৫৯ জন কর্মচারী বিভিন্ন কারিগরি, প্রশাসনিক ও সহায়ক পদে কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস সহায়তা, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা সংশ্লিষ্ট পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 


এ সময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত