কুমিল্লড়া উপজেলাধীন বিভিন্ন গ্রামে এ বছর তালের শাঁসের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে উঁচু জমির পাশে ও খালের দুই ধারে থাকা অসংখ্য তালগাছে প্রচুর ফল ধরায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে দেখা দিয়েছে আনন্দ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ অঞ্চলের তালগাছগুলো থেকে এবার প্রচুর পরিমাণে তাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফড়িয়ারা প্রতি গাছ ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দরদামে কিনে নিচ্ছেন। পরে গাছিদের মাধ্যমে প্রতি গাছে প্রায় ২০০ টাকা মজুরিতে তালের আঁশযুক্ত পীড় কেটে নিচে নামানো হয়। এরপর ভ্যানযোগে এক স্থানে জড়ো করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বড় বড় পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়।
বর্তমানে প্রতি তাল ৭ টাকা থেকে ৯ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। পরে এসব তাল দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে সরবরাহ করা হয়। শহরাঞ্চলে ভোক্তারা প্রতি তাল ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা দামে কিনছেন।
উত্তর খোশবাস ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সবুর জানান, তিনি এ বছর প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি তালগাছ কিনেছেন। বাজারে এবার দর ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তবে সব সময় বাজার এক রকম থাকে না। অনেক সময় পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেড়ে গেলে লাভ কমে যায়।
তালের শাঁসের উপকারিতা
গরমের মৌসুমে তালের শাঁস অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পানি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান, যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে। তালের শাঁসের কিছু উপকারিতা হলো—
শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে,গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে হজমে সহায়তা করে,ক্লান্তি ও অবসাদ কমায়, প্রাকৃতিকভাবে শক্তি যোগায়,শিশু ও বয়স্কদের জন্যও উপকারী।
স্থানীয়দের আশা, অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো বাজারদর থাকলে আগামী বছরগুলোতেও তালের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
কুমিল্লড়া উপজেলাধীন বিভিন্ন গ্রামে এ বছর তালের শাঁসের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে উঁচু জমির পাশে ও খালের দুই ধারে থাকা অসংখ্য তালগাছে প্রচুর ফল ধরায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে দেখা দিয়েছে আনন্দ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ অঞ্চলের তালগাছগুলো থেকে এবার প্রচুর পরিমাণে তাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফড়িয়ারা প্রতি গাছ ৫০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দরদামে কিনে নিচ্ছেন। পরে গাছিদের মাধ্যমে প্রতি গাছে প্রায় ২০০ টাকা মজুরিতে তালের আঁশযুক্ত পীড় কেটে নিচে নামানো হয়। এরপর ভ্যানযোগে এক স্থানে জড়ো করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বড় বড় পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়।
বর্তমানে প্রতি তাল ৭ টাকা থেকে ৯ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। পরে এসব তাল দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে সরবরাহ করা হয়। শহরাঞ্চলে ভোক্তারা প্রতি তাল ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা দামে কিনছেন।
উত্তর খোশবাস ইউনিয়নের আরিফপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সবুর জানান, তিনি এ বছর প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি তালগাছ কিনেছেন। বাজারে এবার দর ভালো পাওয়া যাচ্ছে। তবে সব সময় বাজার এক রকম থাকে না। অনেক সময় পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বেড়ে গেলে লাভ কমে যায়।
তালের শাঁসের উপকারিতা
গরমের মৌসুমে তালের শাঁস অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে রয়েছে প্রচুর পানি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান, যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে। তালের শাঁসের কিছু উপকারিতা হলো—
শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে,গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে হজমে সহায়তা করে,ক্লান্তি ও অবসাদ কমায়, প্রাকৃতিকভাবে শক্তি যোগায়,শিশু ও বয়স্কদের জন্যও উপকারী।
স্থানীয়দের আশা, অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো বাজারদর থাকলে আগামী বছরগুলোতেও তালের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

আপনার মতামত লিখুন