মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

কচুয়া পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের '৯৬ ব্যাচ এর মিলনমেলা

কচুয়া পাইলট  সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের '৯৬ ব্যাচ এর মিলনমেলা

লবন্ধুত্বের টানে দীর্ঘ ৩০ বছর পর এক মোহনায় মিলিত হলেন কচুয়ার ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মায়া আর বন্ধুত্বের টানে প্রবাস এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছিলেন তারা।

শনিবার বিকেলে কচুয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই পুনর্মিলনীতে হাসি-আনন্দ আর স্মৃতিচারণায় যেন সবাই ফিরে গিয়েছিলেন শৈশবের সোনালী দিনগুলোতে।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফটো সেশন, হাসি-ঠাট্টা ও আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন বন্ধুরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলোকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই।

'​৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও দীর্ঘ ৩০ বছর পর এবারই প্রথম তারা সরাসরি এমন বড় আয়োজনে একত্রিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তারা বলেন, এই আড্ডাটা কেবল একটি পার্টিই ছিল না, ছিল সময়ের এক সন্ধিক্ষণ।  সেই স্কুল জীবনের হাসি-ঠাট্টা, ক্লাস ফাঁকির দিনগুলো যেন নতুন করে প্রাণ পেল।


ওইদিন ​বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত আলোচনা পর্বের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। পরে '৯৬ ব্যাচের যে সকল বন্ধু না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন, তাদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে গান, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণমূলক আয়োজনের পাশাপাশি ছিল জমজমাট বারবিকিউ পার্টি। মনোমুগ্ধকর এই আড্ডায় নাচ-গান ও বিভিন্ন আয়োজনের মাঝে পুরস্কার বিতরণী পর্বটিও বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

​উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্রদের কয়েকজন জানান, এই পুনর্মিলনী ছিল এক অনন্য অনুভূতি। প্রতিটা মুহূর্ত ছিল উৎসবমুখর আর স্মৃতিকাতর। তারা জানান, ভবিষ্যতে সকল বন্ধুর পরিবারসহ আরও বড় পরিসরে পুনর্মিলনী (ফ্যামিলি ডে)  অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজন আবারো প্রমাণ করলো, প্রকৃত বন্ধুত্ব কখনো হারায় না, শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


কচুয়া পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের '৯৬ ব্যাচ এর মিলনমেলা

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

লবন্ধুত্বের টানে দীর্ঘ ৩০ বছর পর এক মোহনায় মিলিত হলেন কচুয়ার ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মায়া আর বন্ধুত্বের টানে প্রবাস এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছিলেন তারা।


শনিবার বিকেলে কচুয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই পুনর্মিলনীতে হাসি-আনন্দ আর স্মৃতিচারণায় যেন সবাই ফিরে গিয়েছিলেন শৈশবের সোনালী দিনগুলোতে।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফটো সেশন, হাসি-ঠাট্টা ও আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন বন্ধুরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মুখগুলোকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই।


'​৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও দীর্ঘ ৩০ বছর পর এবারই প্রথম তারা সরাসরি এমন বড় আয়োজনে একত্রিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তারা বলেন, এই আড্ডাটা কেবল একটি পার্টিই ছিল না, ছিল সময়ের এক সন্ধিক্ষণ।  সেই স্কুল জীবনের হাসি-ঠাট্টা, ক্লাস ফাঁকির দিনগুলো যেন নতুন করে প্রাণ পেল।


ওইদিন ​বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত আলোচনা পর্বের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। পরে '৯৬ ব্যাচের যে সকল বন্ধু না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন, তাদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্বে গান, আবৃত্তি ও স্মৃতিচারণমূলক আয়োজনের পাশাপাশি ছিল জমজমাট বারবিকিউ পার্টি। মনোমুগ্ধকর এই আড্ডায় নাচ-গান ও বিভিন্ন আয়োজনের মাঝে পুরস্কার বিতরণী পর্বটিও বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।


​উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্রদের কয়েকজন জানান, এই পুনর্মিলনী ছিল এক অনন্য অনুভূতি। প্রতিটা মুহূর্ত ছিল উৎসবমুখর আর স্মৃতিকাতর। তারা জানান, ভবিষ্যতে সকল বন্ধুর পরিবারসহ আরও বড় পরিসরে পুনর্মিলনী (ফ্যামিলি ডে)  অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে। এই আয়োজন আবারো প্রমাণ করলো, প্রকৃত বন্ধুত্ব কখনো হারায় না, শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই