সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ১২২ নং পিআইসি এবং ৭১ নং পিআইসি'র অনুকূলে বরাদ্দকৃত ফসল রক্ষা বাঁধের কার্যাদেশ বাতিল ও প্রশাসনিক অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক বরাবর পৃথক পৃথক অভিযোগ দাখিল করেন ৭১ নং পিআইসি কমিটির সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস এবং ১২২ নং পিআইসি কমিটির সভাপতি রাধাগোবিন্দ দাস। ৭০ নং পিআইসি'র অনিয়মের অভিযোগ করেন কৃষক শনিলাল দাস।[TECHTARANGA-POST:3107]অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ছায়ার হাওড় উপ-প্রকল্পের আওতায় জগন্নাথপুরের পর হতে বিষ্ণুপুর নতুনহাটির মধ্যেবর্তী পর্যন্ত ২৭২ মিটার এবং ছায়ার হাওর উপপ্রকল্পের আওতায় বিষ্ণুপুর নতুনহাটি হতে বিষ্ণুপুর সেচ পাম্পের পূর্ব পর্যন্ত ৬৪০ মিটার ডুবন্ত বাঁধের ভাঙ্গা বন্ধকরন ও মেরামত কাজে ফসল রক্ষায় সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে প্রকৃত কৃষকদের সমন্বয়ে ১২২নং পিআইসি এবং ৭১ নং পিআইসি গঠন করা হয়। যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে প্রশাসন তাদের অনুকূলে কার্যাদেশ (Work Order) প্রদান করে এবং নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। কার্যাদেশ পাওয়ার পর প্রকল্পটির প্রায় ৭০% মাটির কাজ সম্পন্ন হয়। [TECHTARANGA-POST:3104]কিন্তু কাজ চলাকালীন কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পিআইসি মনিটরিং কমিটির সভাপতি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাজ বন্ধ রাখার মৌখিক নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে, কাজের সময়সীমা যখন একদম শেষ পর্যায়ে, তখন ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের বৈধ কার্যাদেশ বাতিল করে অন্য ব্যক্তিদের নতুন করে দায়িত্ব প্রদান করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রকৃত কৃষকরা যেমন চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন, তেমনি বাঁধের কাজ বিলম্বিত হওয়ায় আসন্ন বর্ষায় ফসলের অকাল ডুবির শঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরেজমিনে তদন্ত ও ব্যবস্হা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, অভিযোগ গুলো তদন্ত করা হবে।