জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ৩৯টি কেন্দ্রের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলাফল অনুযায়ী শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল জয় লাভ করেছে।
ভিপি পদে এই প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম ৮৭০ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। ৩ হাজার ২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন শিবির প্রার্থী।
অন্যদিকে এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৮ ভোট। এই পদে ১১৩৪ ভোট বেশি পেয়েছেন শিবির প্যানেলের মাসুদ রানা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে জকসুর ৩৯ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) এবং একটি হলের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট হয় শান্তিপূর্ণভাবে। বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্সগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে নিয়ে আসা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছয়টি ওএমআর (অপটিকাল মার্ক রিকগনিশন) মেশিনে সেখানে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু হয়। কিন্তু গণনার তথ্যে গড়মিল দেখা দেয়ায় মাঝে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকে। পরে গভীর রাতে আবার শুরু হয় গণনার কাজ।
জকসু নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। সেখানে প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার জুলফিকার মাহমুদ। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হল সংসদেও ভোট হয়েছে। হল সংসদের মোট ভোটার ছিলেন ১২৪২ জন। সেখানে প্রায় ৭৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ৩৯টি কেন্দ্রের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলাফল অনুযায়ী শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল জয় লাভ করেছে।
ভিপি পদে এই প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্র অধিকার পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ভিপি পদে রিয়াজুল ইসলাম ৮৭০ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। ৩ হাজার ২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন শিবির প্রার্থী।
অন্যদিকে এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৮ ভোট। এই পদে ১১৩৪ ভোট বেশি পেয়েছেন শিবির প্যানেলের মাসুদ রানা।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে জকসুর ৩৯ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) এবং একটি হলের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট হয় শান্তিপূর্ণভাবে। বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্সগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে নিয়ে আসা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছয়টি ওএমআর (অপটিকাল মার্ক রিকগনিশন) মেশিনে সেখানে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু হয়। কিন্তু গণনার তথ্যে গড়মিল দেখা দেয়ায় মাঝে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকে। পরে গভীর রাতে আবার শুরু হয় গণনার কাজ।
জকসু নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। সেখানে প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার জুলফিকার মাহমুদ। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হল সংসদেও ভোট হয়েছে। হল সংসদের মোট ভোটার ছিলেন ১২৪২ জন। সেখানে প্রায় ৭৭ শতাংশ ভোট পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন