দুটো ঘটনা দিয়ে বিড়াল ও কুকুরের সম্পত্তি বিষয়টি বোঝাতে চাচ্ছি এই অধ্যায়ে।
খুব ভালো করে দেখলে দেখতে পাবো -
কুকুর, বিড়াল সহ বিভিন্ন জন্তু জানোয়ারের সম্পত্তি বলতে
কিছুই নেই।তারা যদি কোনো বাড়িতে থাকে,তাহলে সেই বাড়ির লোকজন তাদের দেখভাল করে।অনেকটাই পরিবারের মতো। কিন্তু সম্পত্তি বলতে তাদের কি আছে?
এই উত্তরের ব্যাখ্যা দিয়ে বলতে চাই -
আমার বাড়িতে ঘটে যাওয়া একটি বিড়ালের প্রসব কাহিনী,অপরটি সম্প্রীতি বাংলাদেশের ঈশ্বরদিতে ঘটে যাওয়া কুকুরের সন্তান হারানোর কাহিনী।
আমার বাড়িতে বিড়াল প্রসব করেছিলো তিনটি বাচ্চা।
সেই বাচ্চা প্রসবের পর তার ঘ্যাম হয়েছিলো।দেখে মনে হচ্ছিলো তার অনেক সম্পত্তি হয়েছে।বিড়ালটির হাঁটা চলার মধ্যে গর্ব ফুটে উঠেছে।পরের দিন সকালে তার বাচ্চা নিয়ে পাশের বাড়িতে যায়।একটি বাচ্চা রেখে গিয়েছিলো।পরে এসে নিয়ে যায়।বিড়ালটির ধারণা ছিলো তার আরও বাচ্চা রয়ে গেছে আমাদের বাড়িতে।সে নিয়ম করে এসে দুবেলা চেক করতো।প্রায় দেড়মাস চেক করেছে।এই দেড় মাসের প্রথম পনেরো দিন এসে জোড়ে কান্না করত,পরের পনেরো দিন ধীরে ধীরে পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকত।সেই রুমে যেত যে রুমে সে প্রসব করেছিলো।ঠিক কোনভাবে ঘরে ঢুকলে তার আর বাচ্চা যদি থেকে যায় তার ক্যালকুলেশন করত।
একটা সময় বিরানি বুঝে গেলো তার আর কোনো বাচ্চা আমাদের নেই, সেদিন থেকে তার গোয়েন্দাদের মতো বাচ্চা খুঁজতে আসা বন্ধ হোলো।সে এখন আমাদের বাড়ি ঘুরতে আসে, কিন্তু বাচ্চা খোঁজ করেনা।
সম্প্রতি বাংলাদেশের ঈশ্বরদীর কুকুরের বাচ্চা মেরে ফেলার কান্ডের মা কুকুরটি হত্যাকারীকে জেল খাটিয়েছে যেমন,তেমন অন্যদিকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিল তার বাচ্চাদের ছাড়া। অবশেষে তাকে দুটো বাচ্চা জোগাড় করে দিলে সে খুশি হয় ও সুস্থ হয়ে ওঠে।পরে আরও দুটি অন্য কুকুরের বাচ্চা দেওয়া হয়।
বিড়াল কুকুর সহ অন্যান্য পশুদের ক্ষেত্রে তাদের কিছু থাকে না।তাদের সন্তানগুলোই সম্পত্তি তাদের কাছে।আমার অনুভূতিতে বিড়াল ও কুকুরের যতগুলো সন্তান হয় ততগুলো তাদের সম্পত্তি তাদের কাছে।মাতৃত্ব তাদের অহংকার ও গর্ব। কুকুর,বিড়ালদের সন্তানের কাছেও তাদের মা ই সব।ঠিক যেন মানুষ।
গর্ভবতী কুকুর বিড়ালদের কখনও ঢেল দিতে নেই,
মারতে নেই।বাড়িতে কুকুর,বিড়াল প্রসব করলে কোনো
রাগ করবেননা।কারণ তাদের কেউ নেই সেই সময় পাশে থাকার মতো। কিন্তু মানুষের থাকে।একজন নারী সে যে কোনো রুপে নারী।তাই পশুদের ক্ষেত্রে সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখতে হবে।
তাই কুকুর বিড়াল সহ অন্যান্য পশুদের বাচ্চাদের মারতে নেই যেমন,তেমনি কোনো পশুকেই মারতে নেই।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
দুটো ঘটনা দিয়ে বিড়াল ও কুকুরের সম্পত্তি বিষয়টি বোঝাতে চাচ্ছি এই অধ্যায়ে।
খুব ভালো করে দেখলে দেখতে পাবো -
কুকুর, বিড়াল সহ বিভিন্ন জন্তু জানোয়ারের সম্পত্তি বলতে
কিছুই নেই।তারা যদি কোনো বাড়িতে থাকে,তাহলে সেই বাড়ির লোকজন তাদের দেখভাল করে।অনেকটাই পরিবারের মতো। কিন্তু সম্পত্তি বলতে তাদের কি আছে?
এই উত্তরের ব্যাখ্যা দিয়ে বলতে চাই -
আমার বাড়িতে ঘটে যাওয়া একটি বিড়ালের প্রসব কাহিনী,অপরটি সম্প্রীতি বাংলাদেশের ঈশ্বরদিতে ঘটে যাওয়া কুকুরের সন্তান হারানোর কাহিনী।
আমার বাড়িতে বিড়াল প্রসব করেছিলো তিনটি বাচ্চা।
সেই বাচ্চা প্রসবের পর তার ঘ্যাম হয়েছিলো।দেখে মনে হচ্ছিলো তার অনেক সম্পত্তি হয়েছে।বিড়ালটির হাঁটা চলার মধ্যে গর্ব ফুটে উঠেছে।পরের দিন সকালে তার বাচ্চা নিয়ে পাশের বাড়িতে যায়।একটি বাচ্চা রেখে গিয়েছিলো।পরে এসে নিয়ে যায়।বিড়ালটির ধারণা ছিলো তার আরও বাচ্চা রয়ে গেছে আমাদের বাড়িতে।সে নিয়ম করে এসে দুবেলা চেক করতো।প্রায় দেড়মাস চেক করেছে।এই দেড় মাসের প্রথম পনেরো দিন এসে জোড়ে কান্না করত,পরের পনেরো দিন ধীরে ধীরে পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকত।সেই রুমে যেত যে রুমে সে প্রসব করেছিলো।ঠিক কোনভাবে ঘরে ঢুকলে তার আর বাচ্চা যদি থেকে যায় তার ক্যালকুলেশন করত।
একটা সময় বিরানি বুঝে গেলো তার আর কোনো বাচ্চা আমাদের নেই, সেদিন থেকে তার গোয়েন্দাদের মতো বাচ্চা খুঁজতে আসা বন্ধ হোলো।সে এখন আমাদের বাড়ি ঘুরতে আসে, কিন্তু বাচ্চা খোঁজ করেনা।
সম্প্রতি বাংলাদেশের ঈশ্বরদীর কুকুরের বাচ্চা মেরে ফেলার কান্ডের মা কুকুরটি হত্যাকারীকে জেল খাটিয়েছে যেমন,তেমন অন্যদিকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিল তার বাচ্চাদের ছাড়া। অবশেষে তাকে দুটো বাচ্চা জোগাড় করে দিলে সে খুশি হয় ও সুস্থ হয়ে ওঠে।পরে আরও দুটি অন্য কুকুরের বাচ্চা দেওয়া হয়।
বিড়াল কুকুর সহ অন্যান্য পশুদের ক্ষেত্রে তাদের কিছু থাকে না।তাদের সন্তানগুলোই সম্পত্তি তাদের কাছে।আমার অনুভূতিতে বিড়াল ও কুকুরের যতগুলো সন্তান হয় ততগুলো তাদের সম্পত্তি তাদের কাছে।মাতৃত্ব তাদের অহংকার ও গর্ব। কুকুর,বিড়ালদের সন্তানের কাছেও তাদের মা ই সব।ঠিক যেন মানুষ।
গর্ভবতী কুকুর বিড়ালদের কখনও ঢেল দিতে নেই,
মারতে নেই।বাড়িতে কুকুর,বিড়াল প্রসব করলে কোনো
রাগ করবেননা।কারণ তাদের কেউ নেই সেই সময় পাশে থাকার মতো। কিন্তু মানুষের থাকে।একজন নারী সে যে কোনো রুপে নারী।তাই পশুদের ক্ষেত্রে সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখতে হবে।
তাই কুকুর বিড়াল সহ অন্যান্য পশুদের বাচ্চাদের মারতে নেই যেমন,তেমনি কোনো পশুকেই মারতে নেই।

আপনার মতামত লিখুন