লালমনিরহাটের ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন খালিসা কাটাল সীমান্তের ৯৩৪ নম্বর পিলার এলাকায় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা তাদের অভ্যন্তরীণ একটি রাস্তার কাজ শুরু করলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিকভাবে এতে বাধা দেয়।
মঙ্গলবার ১২ জানুয়ারী খালিসা কাটাল সীমান্তের ৯৩৪ নম্বর পিলার এলাকায় ওই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত আইন ও আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী সীমান্তবর্তী এলাকায় যেকোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা সংস্কার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। বিষয়টি নজরে আসার পর বিজিবি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অধিনায়ক পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বাহিনী তাদের দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত উক্ত সড়কটি কেবলমাত্র সংস্কার করতে পারবে। তবে কোনোভাবেই সড়কটির বিস্তার বা বর্ধিতকরণ করা যাবে না।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
বর্তমানে আলিসা কটাল সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাটের ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন খালিসা কাটাল সীমান্তের ৯৩৪ নম্বর পিলার এলাকায় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রতিবেশী দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা তাদের অভ্যন্তরীণ একটি রাস্তার কাজ শুরু করলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিকভাবে এতে বাধা দেয়।
মঙ্গলবার ১২ জানুয়ারী খালিসা কাটাল সীমান্তের ৯৩৪ নম্বর পিলার এলাকায় ওই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত আইন ও আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী সীমান্তবর্তী এলাকায় যেকোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা সংস্কার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। বিষয়টি নজরে আসার পর বিজিবি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে অধিনায়ক পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বাহিনী তাদের দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত উক্ত সড়কটি কেবলমাত্র সংস্কার করতে পারবে। তবে কোনোভাবেই সড়কটির বিস্তার বা বর্ধিতকরণ করা যাবে না।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
বর্তমানে আলিসা কটাল সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন