কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া এলাকায় একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে মুখে ও হাতে স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা অবস্থায় নিহা মনি (৬) নামের এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাসেল (২০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
নিহত নিহা মনি মোচাগড়া গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী শরীফ মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
আটক রাসেল একই গ্রামের রবিউল মিয়ার ছেলে।
নিহত শিশুর দাদি পারুল বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সকালে তার নাতনি পাশের কয়েকজন শিশুর সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। ওই সময় অভিযুক্ত রাসেল তাদের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। কিছুক্ষণ পর থেকে নিহা মনিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে সঙ্গে থাকা শিশুদের কাছ থেকে জানা যায়, রাসেল তাকে ডেকে নিয়ে গেছে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তখন তার মুখে ও হাতে স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা ছিল।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রাসেল একজন মাদকাসক্ত। সে প্রায়ই এলাকার শিশু মেয়েদের উত্যক্ত করত। তার বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ ছিল। তারা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জামিল খান বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া এলাকায় একটি সেফটিক ট্যাংক থেকে মুখে ও হাতে স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা অবস্থায় নিহা মনি (৬) নামের এক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাসেল (২০) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
নিহত নিহা মনি মোচাগড়া গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী শরীফ মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
আটক রাসেল একই গ্রামের রবিউল মিয়ার ছেলে।
নিহত শিশুর দাদি পারুল বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, সকালে তার নাতনি পাশের কয়েকজন শিশুর সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। ওই সময় অভিযুক্ত রাসেল তাদের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। কিছুক্ষণ পর থেকে নিহা মনিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে সঙ্গে থাকা শিশুদের কাছ থেকে জানা যায়, রাসেল তাকে ডেকে নিয়ে গেছে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এলাকাবাসী সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তখন তার মুখে ও হাতে স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা ছিল।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রাসেল একজন মাদকাসক্ত। সে প্রায়ই এলাকার শিশু মেয়েদের উত্যক্ত করত। তার বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ ছিল। তারা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জামিল খান বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন