মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গাম্ভীর্য আর শ্রদ্ধার আবহে বরুড়ায় এক মানবিক দৃশ্য সবার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা কর্মসূচির মধ্যেই বরুড়ার সোনাইমুড়ী নিজ বাসভবনে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এম,পি।
সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় জমে মন্ত্রীর বাড়িতে। এ সময় উপস্থিত জনতার মাঝ থেকে এক প্রতিবন্ধী কিশোর হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগিয়ে আসে। তার চোখে-মুখে ছিল গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার ছাপ।
ঘটনাটি নজরে আসতেই মন্ত্রী নিজেই হাত বাড়িয়ে দেন এবং স্নেহভরে কিশোরটির শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। মুহূর্তটি উপস্থিত সবার মাঝে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে। অনেকেই বলেন, ক্ষমতার আসনে থেকেও মানবিক আচরণই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে।
কিশোরটির মুখে তখন আনন্দের উচ্ছ্বাস, চোখে স্বপ্নের ঝিলিক। একটি আন্তরিক স্পর্শে সে খুঁজে পায় সম্মান, সাহস ও প্রেরণা। উপস্থিতদের মতে, সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিকতার যে মূল্যবোধ এখনো জীবিত—এই দৃশ্য তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
২১ ফেব্রুয়ারির চেতনা সমতা, মর্যাদা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। সেই চেতনার আলোয় এমন ছোট ছোট মুহূর্তই বড় হয়ে ওঠে। কারণ, সত্যিকারের নেতৃত্ব কেবল দায়িত্ব পালনে সীমাবদ্ধ নয়—মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়াই তার আসল শক্তি।এই মানবিক দৃশ্য সবার কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় শক্তি, আর ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় পরিচয়।

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গাম্ভীর্য আর শ্রদ্ধার আবহে বরুড়ায় এক মানবিক দৃশ্য সবার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা কর্মসূচির মধ্যেই বরুড়ার সোনাইমুড়ী নিজ বাসভবনে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এম,পি।
সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় জমে মন্ত্রীর বাড়িতে। এ সময় উপস্থিত জনতার মাঝ থেকে এক প্রতিবন্ধী কিশোর হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগিয়ে আসে। তার চোখে-মুখে ছিল গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার ছাপ।
ঘটনাটি নজরে আসতেই মন্ত্রী নিজেই হাত বাড়িয়ে দেন এবং স্নেহভরে কিশোরটির শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। মুহূর্তটি উপস্থিত সবার মাঝে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে। অনেকেই বলেন, ক্ষমতার আসনে থেকেও মানবিক আচরণই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে।
কিশোরটির মুখে তখন আনন্দের উচ্ছ্বাস, চোখে স্বপ্নের ঝিলিক। একটি আন্তরিক স্পর্শে সে খুঁজে পায় সম্মান, সাহস ও প্রেরণা। উপস্থিতদের মতে, সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিকতার যে মূল্যবোধ এখনো জীবিত—এই দৃশ্য তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
২১ ফেব্রুয়ারির চেতনা সমতা, মর্যাদা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। সেই চেতনার আলোয় এমন ছোট ছোট মুহূর্তই বড় হয়ে ওঠে। কারণ, সত্যিকারের নেতৃত্ব কেবল দায়িত্ব পালনে সীমাবদ্ধ নয়—মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়াই তার আসল শক্তি।এই মানবিক দৃশ্য সবার কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় শক্তি, আর ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় পরিচয়।

আপনার মতামত লিখুন