বরগুনার পাথরঘাটায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অবৈধ ট্রলিং গিয়ারসহ একটি আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ ও দুইজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জামিনে মুক্তি পাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত জামিন প্রক্রিয়া নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে নিয়মিত টহলকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে পাথরঘাটা থানাধীন ৩নং চরদুয়ানী ইউনিয়নের জ্ঞানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জিয়া চেয়ারম্যানের বরফকল সংলগ্ন খালের ঘাটে একটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ বেহুন্দি জালসহ মাছ আহরণের প্রস্তুতির প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে সদস্যদের সহায়তায় মোঃ লিটন মাহমুদ (৫২) ও মোঃ মুনসুর আহমদ (৪৫)-কে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোঃ মাসুদ খলিফা (৪০) নামের আরও একজনকে পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানে “এফবি আব্দুল্লাহ” (রেজি: এম-৬৫২৬) নামের ট্রলার এবং ৭টি অবৈধ বেহুন্দি জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার ও সরঞ্জামের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকা বলে জানানো হয়েছে। পরে আটক দুইজনকে থানায় সোপর্দ করা হলে সমুদ্র মৎস্য আইন, ২০২০-এর ২৮/৫২ ধারায় মামলা দায়ের হয়।
তবে ঘটনার পরপরই আলোচনার জন্ম দেয় অভিযুক্তদের দ্রুত জামিন।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, অবৈধ ট্রলিং গিয়ার ও উচ্চমূল্যের ট্রলার জব্দের মতো ঘটনায় এত দ্রুত জামিন কীভাবে মঞ্জুর হলো? এর পেছনে কোনো প্রভাব বা তদবির ছিল কি না—তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, অবৈধ ট্রলিং ও বেহুন্দি জালের কারণে সাগরে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বারবার অভিযান হলেও দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়ায় অসাধু চক্রগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে তাদের অভিযোগ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা ও অবৈধ ট্রলিং বন্ধে কঠোর নজরদারি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এখন দেখার বিষয়, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার ও মামলার অগ্রগতি কতদূর এগোয়।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
বরগুনার পাথরঘাটায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অবৈধ ট্রলিং গিয়ারসহ একটি আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ ও দুইজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জামিনে মুক্তি পাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত জামিন প্রক্রিয়া নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে নিয়মিত টহলকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে পাথরঘাটা থানাধীন ৩নং চরদুয়ানী ইউনিয়নের জ্ঞানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জিয়া চেয়ারম্যানের বরফকল সংলগ্ন খালের ঘাটে একটি ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ বেহুন্দি জালসহ মাছ আহরণের প্রস্তুতির প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে সদস্যদের সহায়তায় মোঃ লিটন মাহমুদ (৫২) ও মোঃ মুনসুর আহমদ (৪৫)-কে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোঃ মাসুদ খলিফা (৪০) নামের আরও একজনকে পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানে “এফবি আব্দুল্লাহ” (রেজি: এম-৬৫২৬) নামের ট্রলার এবং ৭টি অবৈধ বেহুন্দি জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার ও সরঞ্জামের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ লাখ টাকা বলে জানানো হয়েছে। পরে আটক দুইজনকে থানায় সোপর্দ করা হলে সমুদ্র মৎস্য আইন, ২০২০-এর ২৮/৫২ ধারায় মামলা দায়ের হয়।
তবে ঘটনার পরপরই আলোচনার জন্ম দেয় অভিযুক্তদের দ্রুত জামিন।
এ ঘটনায় স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন, অবৈধ ট্রলিং গিয়ার ও উচ্চমূল্যের ট্রলার জব্দের মতো ঘটনায় এত দ্রুত জামিন কীভাবে মঞ্জুর হলো? এর পেছনে কোনো প্রভাব বা তদবির ছিল কি না—তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, অবৈধ ট্রলিং ও বেহুন্দি জালের কারণে সাগরে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বারবার অভিযান হলেও দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়ায় অসাধু চক্রগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে তাদের অভিযোগ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা ও অবৈধ ট্রলিং বন্ধে কঠোর নজরদারি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। এখন দেখার বিষয়, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার ও মামলার অগ্রগতি কতদূর এগোয়।

আপনার মতামত লিখুন