বরগুনার পাথরঘাটায় বিষখালী নদীসংলগ্ন এলাকায় হরিণ শিকারের ঘটনায় মো. হানিফ (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথরঘাটা উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদুরতলা খাল সংলগ্ন এলাকায় যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মো. হানিফকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় দুটি জবাইকৃত পুরুষ হরিণের মাংস (আনুমানিক ১৬০ কেজি) উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পাশাপাশি হরিণ শিকারে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার, প্রায় ১২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ফাঁদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক মো. হানিফ পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল বাশারের ছেলে।
পরে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন মো. পনির শেখ, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আদালত তাকে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি ও অবৈধ শিকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যপ্রাণী রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
বরগুনার পাথরঘাটায় বিষখালী নদীসংলগ্ন এলাকায় হরিণ শিকারের ঘটনায় মো. হানিফ (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথরঘাটা উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদুরতলা খাল সংলগ্ন এলাকায় যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মো. হানিফকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় দুটি জবাইকৃত পুরুষ হরিণের মাংস (আনুমানিক ১৬০ কেজি) উদ্ধার করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পাশাপাশি হরিণ শিকারে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার, প্রায় ১২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ফাঁদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক মো. হানিফ পাথরঘাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল বাশারের ছেলে।
পরে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন মো. পনির শেখ, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। আদালত তাকে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি ও অবৈধ শিকারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের বার্তা পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যপ্রাণী রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন