ঢাকা   বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
মুক্তির লড়াই

মুগদায় পুলিশের এএসআই এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার



মুগদায় পুলিশের এএসআই এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মাসুদ মাহাতাব রাজধানীর মুগদা মান্ডার একটি বাসা থেকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মুগদা থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রাঙ্গামাটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কর্মরত কামরুল হাসানের (৩০) বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডালপা গ্রামে। তার বাবার নাম নূর মিয়া। মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া জানান, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি আগে ঢাকায় ছিলেন। কিছুদিন হয় বদলি হয়ে রাঙ্গামাটি চলে যান। তবে তার পরিবার মুগদার মান্ডার ওই বাসায় থাকতেন। তিনি জানান, দুই মেয়ে এবং স্ত্রী কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। তবে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কামরুল টুর্নামেন্টের কারণে ঢাকায় আসেন এবং একাই বাসায় ছিলেন। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬


মুগদায় পুলিশের এএসআই এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
মাসুদ মাহাতাব রাজধানীর মুগদা মান্ডার একটি বাসা থেকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মুগদা থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শনিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রাঙ্গামাটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কর্মরত কামরুল হাসানের (৩০) বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডালপা গ্রামে। তার বাবার নাম নূর মিয়া। মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া জানান, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি আগে ঢাকায় ছিলেন। কিছুদিন হয় বদলি হয়ে রাঙ্গামাটি চলে যান। তবে তার পরিবার মুগদার মান্ডার ওই বাসায় থাকতেন। তিনি জানান, দুই মেয়ে এবং স্ত্রী কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। তবে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কামরুল টুর্নামেন্টের কারণে ঢাকায় আসেন এবং একাই বাসায় ছিলেন। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত