ঢাকা   মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

নারী


রিপন
রিপন
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

নারী

উৎসর্গ : যতনে রেখেছে জগৎটাকে যে সকল নারী জাগরণ !!

হে-নারী 

তুমি কখনও গগনচুম্বী চাঁদের মা বুড়ী!

তুমি বাবা মায়ের শেষ সম্বল দু'নয়ন জুড়ী!

নারী 

তুমি মাতৃস্নেহের শান্ত পরশ!

তুমি আলোড়িত সন্তানের জ্বালাময়ী জন্ম জঠর!

নারী 

তুমি ছেলে বেলার প্রথম রাঙ্গা প্রেমের শশী!

তুমি ধরা বনে প্রেমের বানে-বিধাও

ভালবাসার প্রেম বাসুড়ী!

হে-নারী 

তুমি সন্তান ছিন্ন নিপিড়ীত একাকীত্বের বন্ধন!

তুমি সীমাহীন সিক্ত অসাড় ক্লান্ত দেহে

বিশ্বস্ত ভালবাসার রন্ধন!

নারী 

তুমি মায়া-তুমি মহামায়া!

তুমি মায়াবী রুপে ধরো হাল-উরাও পাল!

তুমি শান্তির বার্তা বেশে-রক্ষা করো সকল ধর্মের ধর্মকল!

নারী 

তুমি সৃষ্টির সেরা রুপ-তুমি মানব জন্মে-জন্ম নেওয়া

সুখরিত শুক'রঞ্জন ধুপ!

নারী 

তুমি কত শত বাহু বন্ধনে আবদ্ধ

পরম তৃপ্তির তীর্থ দীপ্ত রজনীর রাজহংসী!

হে-নারী 

তুমি ক্রুদ্ধ-তুমি রুষ্ট!

তোমার মাঝে জেগে ওঠে হিংস্র মহা'সমুদ্র!

তোমার কিঞ্চিৎ ভালবাসার মিথ্যা ফনায়

স্তব্ধ হয়ে-সোনার মানুষ-অমানুষের

গর্ভে বীজ বাষ্প ছড়ায়!

নারী 

তুমি জন্ম-তুমি জন্ম জন্মান্তরের মহাকাল!

তুমি প্রসব যন্ত্রনায় মোড়া-নব শিশুর শিতল পরশ বুলা

ওষ্ঠ গালে আবেগি শান্তির ছোঁয়া!

নারী 

তুমি মহা'বিস্ময়-তুমি জন্ম রবের অনুরব!

তুমি চির যৌবনা।

তুমি যৌবন হারানো মাতৃ রুপের

শেষ অনুভব!

হে-নারী 

তুমি থাকো নানা রুপে নানা রঙ্গে!

একই অঙ্গে নানা ঢংঙ্গে!

নারী 

তুমি পাষান-তুমি বিতাড়ীত-তুমি কোমল!

তুমি ছিন্ন মস্তক মুন্ডিত মহাকালি!

তুমি রক্তচক্ষু দাবা নলে অগ্নিশিখার

আগ্নেয়গিরি!

নারী 

তুমি মাতৃস্নেহের কোমল জঠরাগ্নি সর্বনাশা!

তুমি আশ্রিত পুজিত লালিত মায়া ধরা

হিংস্র জাদুমূর্তি!

হে-নারী 

তুমি প্রভাত ফেরী!

তুমি কখনো-ছোট্ট খুকির কোলে

পরম মমতায়-বাবার মাথা আগলে রাখা

দুর্ভেধ্য সোনামুখী ভালবাসার পানকৌড়ি!

নারী 

তুমি লোভী-তুমি অস্থির-তুমি যান্ত্রিক!

তুমি কুটনি-তুমি সর্বগ্রাসী-তুমি ধ্বংস'নিশি!

তুমি প্রলয়!

তুমি নৃত্যরত সর্বগ্রাসী ভালোবাসি!

তুমি প্রেম!

তুমি প্রেম পিন্ডের অভিশপ্ত রক্তভাসা

ভূ'কম্পন!

নারী 

তুমি নিকুশ কালো আধার!

তুমি মহা জাগতিক!

তুমি অজানা অচেনা প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া

অতৃপ্ত আত্মার মহাকাশ তিথীর!

হে-নারী 

তুমি ব্ল্যাকহোল-তুমি কৃষ্ণ বিবর গভীর!

তুমি নক্ষত্রপুঞ্জ গিলে খাওয়া অদৃশ্য মহা'জাগতিক অলোকরশ্মীর ভীড়!

নারী 

তুমি হারিয়ে যাওয়া তীর্থের তরী!

তুমি চন্দ্র সূর্য দ্যাও পাড়ি!

তুমি আর ফেরো না

বাপের বাড়ী!

নারী 

তুমি ঈশ্বর নিয়তি গুপ্ত বিধির!

জীবন রীতি নীতির ব্যাক্তবীর! 

হে-নারী 

তুমি আশীর্বাদ

সৃষ্টি'র সেবায় হয়েছে

তোমার আবির্ভাব!

তাই'তো তোমায় বেসেছি ভালো!

ক্ষনজন্মে সর্বকুলে আলো

তুমিই জ্বালো!

নারী 

তুমি শেষ জীবনে জরিয়ে থাকা মাধবীলতা!

তুমি অকৃত্রিম বন্ধুর বেশে পাশে থাকা

মরন যাএার শেষ প্রহর!

নারী 

তুমি'ও হবে সর্বশান্ত

অবেলার অবেলাতে

জোড় ভাঙ্গা-পাঁজর হারা

তীব্র যন্ত্রনার ভরাডুবি মৃত্যর পানশিতে!

হে-নারী 

আমি'ও যাবো মিশে!

পঁচা মাটির বিষের বিঁষে!

আত্মার মাঝে আত্মা রূপে!

আমাকে তুমি অবশ্যই খুঁজিবে

পুনঃচৎ-খোদার সৃষ্টি রহস্যময় বৃষ্টি আর বহুরুপী নারী!

রাত অনেক হলো-ঘুমোতে যাই !!

সারা রাত লিখলে'ও দেরিতে সৃষ্টি মহানুভব

এই আদম সন্তানের গুন'কির্তন শেষ হবার নয়!

শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি-হে নারী..!

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬


নারী

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

উৎসর্গ : যতনে রেখেছে জগৎটাকে যে সকল নারী জাগরণ !!


হে-নারী 

তুমি কখনও গগনচুম্বী চাঁদের মা বুড়ী!

তুমি বাবা মায়ের শেষ সম্বল দু'নয়ন জুড়ী!


নারী 

তুমি মাতৃস্নেহের শান্ত পরশ!

তুমি আলোড়িত সন্তানের জ্বালাময়ী জন্ম জঠর!


নারী 

তুমি ছেলে বেলার প্রথম রাঙ্গা প্রেমের শশী!

তুমি ধরা বনে প্রেমের বানে-বিধাও

ভালবাসার প্রেম বাসুড়ী!


হে-নারী 

তুমি সন্তান ছিন্ন নিপিড়ীত একাকীত্বের বন্ধন!

তুমি সীমাহীন সিক্ত অসাড় ক্লান্ত দেহে

বিশ্বস্ত ভালবাসার রন্ধন!


নারী 

তুমি মায়া-তুমি মহামায়া!

তুমি মায়াবী রুপে ধরো হাল-উরাও পাল!

তুমি শান্তির বার্তা বেশে-রক্ষা করো সকল ধর্মের ধর্মকল!


নারী 

তুমি সৃষ্টির সেরা রুপ-তুমি মানব জন্মে-জন্ম নেওয়া


সুখরিত শুক'রঞ্জন ধুপ!


নারী 

তুমি কত শত বাহু বন্ধনে আবদ্ধ

পরম তৃপ্তির তীর্থ দীপ্ত রজনীর রাজহংসী!


হে-নারী 

তুমি ক্রুদ্ধ-তুমি রুষ্ট!

তোমার মাঝে জেগে ওঠে হিংস্র মহা'সমুদ্র!

তোমার কিঞ্চিৎ ভালবাসার মিথ্যা ফনায়

স্তব্ধ হয়ে-সোনার মানুষ-অমানুষের

গর্ভে বীজ বাষ্প ছড়ায়!


নারী 

তুমি জন্ম-তুমি জন্ম জন্মান্তরের মহাকাল!

তুমি প্রসব যন্ত্রনায় মোড়া-নব শিশুর শিতল পরশ বুলা

ওষ্ঠ গালে আবেগি শান্তির ছোঁয়া!


নারী 

তুমি মহা'বিস্ময়-তুমি জন্ম রবের অনুরব!

তুমি চির যৌবনা।

তুমি যৌবন হারানো মাতৃ রুপের

শেষ অনুভব!


হে-নারী 

তুমি থাকো নানা রুপে নানা রঙ্গে!

একই অঙ্গে নানা ঢংঙ্গে!


নারী 

তুমি পাষান-তুমি বিতাড়ীত-তুমি কোমল!

তুমি ছিন্ন মস্তক মুন্ডিত মহাকালি!

তুমি রক্তচক্ষু দাবা নলে অগ্নিশিখার

আগ্নেয়গিরি!


নারী 

তুমি মাতৃস্নেহের কোমল জঠরাগ্নি সর্বনাশা!

তুমি আশ্রিত পুজিত লালিত মায়া ধরা

হিংস্র জাদুমূর্তি!


হে-নারী 

তুমি প্রভাত ফেরী!

তুমি কখনো-ছোট্ট খুকির কোলে

পরম মমতায়-বাবার মাথা আগলে রাখা

দুর্ভেধ্য সোনামুখী ভালবাসার পানকৌড়ি!


নারী 

তুমি লোভী-তুমি অস্থির-তুমি যান্ত্রিক!

তুমি কুটনি-তুমি সর্বগ্রাসী-তুমি ধ্বংস'নিশি!

তুমি প্রলয়!

তুমি নৃত্যরত সর্বগ্রাসী ভালোবাসি!

তুমি প্রেম!

তুমি প্রেম পিন্ডের অভিশপ্ত রক্তভাসা

ভূ'কম্পন!


নারী 

তুমি নিকুশ কালো আধার!

তুমি মহা জাগতিক!

তুমি অজানা অচেনা প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া

অতৃপ্ত আত্মার মহাকাশ তিথীর!


হে-নারী 

তুমি ব্ল্যাকহোল-তুমি কৃষ্ণ বিবর গভীর!

তুমি নক্ষত্রপুঞ্জ গিলে খাওয়া অদৃশ্য মহা'জাগতিক অলোকরশ্মীর ভীড়!


নারী 

তুমি হারিয়ে যাওয়া তীর্থের তরী!

তুমি চন্দ্র সূর্য দ্যাও পাড়ি!

তুমি আর ফেরো না

বাপের বাড়ী!


নারী 

তুমি ঈশ্বর নিয়তি গুপ্ত বিধির!

জীবন রীতি নীতির ব্যাক্তবীর! 


হে-নারী 

তুমি আশীর্বাদ

সৃষ্টি'র সেবায় হয়েছে

তোমার আবির্ভাব!

তাই'তো তোমায় বেসেছি ভালো!

ক্ষনজন্মে সর্বকুলে আলো

তুমিই জ্বালো!


নারী 

তুমি শেষ জীবনে জরিয়ে থাকা মাধবীলতা!

তুমি অকৃত্রিম বন্ধুর বেশে পাশে থাকা

মরন যাএার শেষ প্রহর!


নারী 

তুমি'ও হবে সর্বশান্ত

অবেলার অবেলাতে

জোড় ভাঙ্গা-পাঁজর হারা

তীব্র যন্ত্রনার ভরাডুবি মৃত্যর পানশিতে!


হে-নারী 

আমি'ও যাবো মিশে!

পঁচা মাটির বিষের বিঁষে!

আত্মার মাঝে আত্মা রূপে!

আমাকে তুমি অবশ্যই খুঁজিবে


পুনঃচৎ-খোদার সৃষ্টি রহস্যময় বৃষ্টি আর বহুরুপী নারী!

রাত অনেক হলো-ঘুমোতে যাই !!

সারা রাত লিখলে'ও দেরিতে সৃষ্টি মহানুভব

এই আদম সন্তানের গুন'কির্তন শেষ হবার নয়!

শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি-হে নারী..!


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত