বিদেশে গিয়ে পরিবারের ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন ছিল তার। দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট রাফি পাটোয়ারী (২০) ঢাকায় মামার বাসায় থেকে বিদেশ যাওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস-নিজ বাড়িতে ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল তার তরতাজা প্রাণ।
রাফি পাটোয়ারী পাটোয়ারী, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মাঝিগাছা গ্রামের বিল্লাল পাটোয়ারির ছেলে।
স্বপ্ন ছিল প্রবাসে গিয়ে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা। সেই লক্ষ্যেই কয়েক মাস ধরে ঢাকায় মামার বাসায় অবস্থান করে বিদেশযাত্রার প্রয়োজনীয় ট্রেনিং নিচ্ছিলেন তিনি।
গত বুধবার বিকেলে ঢাকার বাসা থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাফি। পথিমধ্যে গৌরিপুরের আমিরাবাদ এলাকার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি আল আরাফা পরিবহনের বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি ছিল এতটাই ভয়াবহ যে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গৌরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র দুই মাস আগে একটি নতুন মোটরসাইকেল কিনেছিলেন রাফি। বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজের চলাচলের সুবিধার জন্যই এই মোটরসাইকেল ক্রয় করেন। কিন্তু সেই মোটরসাইকেলই যেন হয়ে উঠল তার জীবনের শেষ সঙ্গী।
রাফি ছিলেন পরিবারের দুই ছেলের মধ্যে ছোট। তার অকালমৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে মাঝিগাছা গ্রামের বাতাস। বিদেশে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর তরুণটির এভাবে চলে যাওয়া কেউই মেনে নিতে পারছেন না।
রাফির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার চাচাতো ভাই মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, “বিদেশে গিয়ে সংসারের হাল ধরবে—এই ছিল তার স্বপ্ন। কিন্তু সড়কই কেড়ে নিল তার জীবন।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, আমিরাবাদ এলাকার এই সড়কটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির যানবাহন ও অসতর্কতার সহিত চালানোর কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন তারা। সড়কে শৃঙ্খলা ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
বিদেশে গিয়ে পরিবারের ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন ছিল তার। দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট রাফি পাটোয়ারী (২০) ঢাকায় মামার বাসায় থেকে বিদেশ যাওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস-নিজ বাড়িতে ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল তার তরতাজা প্রাণ।
রাফি পাটোয়ারী পাটোয়ারী, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মাঝিগাছা গ্রামের বিল্লাল পাটোয়ারির ছেলে।
স্বপ্ন ছিল প্রবাসে গিয়ে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা। সেই লক্ষ্যেই কয়েক মাস ধরে ঢাকায় মামার বাসায় অবস্থান করে বিদেশযাত্রার প্রয়োজনীয় ট্রেনিং নিচ্ছিলেন তিনি।
গত বুধবার বিকেলে ঢাকার বাসা থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাফি। পথিমধ্যে গৌরিপুরের আমিরাবাদ এলাকার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি আল আরাফা পরিবহনের বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি ছিল এতটাই ভয়াবহ যে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গৌরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র দুই মাস আগে একটি নতুন মোটরসাইকেল কিনেছিলেন রাফি। বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজের চলাচলের সুবিধার জন্যই এই মোটরসাইকেল ক্রয় করেন। কিন্তু সেই মোটরসাইকেলই যেন হয়ে উঠল তার জীবনের শেষ সঙ্গী।
রাফি ছিলেন পরিবারের দুই ছেলের মধ্যে ছোট। তার অকালমৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে মাঝিগাছা গ্রামের বাতাস। বিদেশে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর তরুণটির এভাবে চলে যাওয়া কেউই মেনে নিতে পারছেন না।
রাফির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার চাচাতো ভাই মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, “বিদেশে গিয়ে সংসারের হাল ধরবে—এই ছিল তার স্বপ্ন। কিন্তু সড়কই কেড়ে নিল তার জীবন।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, আমিরাবাদ এলাকার এই সড়কটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির যানবাহন ও অসতর্কতার সহিত চালানোর কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন তারা। সড়কে শৃঙ্খলা ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন