নীলফামারী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের খণ্ডকালীন শিক্ষক মো. হাসান মাহমুদকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত ০৩/০৩/২০২৬ ইং রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় শহরের উকিলের মোড় এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে জনৈক আবু সাঈদ (মালিক, জ্যোতি টেইলার্স) এবং তার ভাড়াটে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী হাসান মাহমুদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ করা হয়েছে যে, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, লোহার পাইপ, রড এবং ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
এই নেককারজনক হামলার প্রতিবাদে নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. সিদ্দিক সফিকুল ইসলাম, ইন্সট্রাক্টর আরিফ বিল্লাহ, মাহমুদুল হাসান ও সামছুস জ্জামান মহসিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর। কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা উচিত ছিল। কিন্তু মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রকাশ্যে একজন শিক্ষককে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
নীলফামারী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের খণ্ডকালীন শিক্ষক মো. হাসান মাহমুদকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত ০৩/০৩/২০২৬ ইং রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় শহরের উকিলের মোড় এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে জনৈক আবু সাঈদ (মালিক, জ্যোতি টেইলার্স) এবং তার ভাড়াটে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী হাসান মাহমুদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগ করা হয়েছে যে, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, লোহার পাইপ, রড এবং ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
এই নেককারজনক হামলার প্রতিবাদে নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ প্রাঙ্গণের সামনে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. সিদ্দিক সফিকুল ইসলাম, ইন্সট্রাক্টর আরিফ বিল্লাহ, মাহমুদুল হাসান ও সামছুস জ্জামান মহসিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর। কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা উচিত ছিল। কিন্তু মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রকাশ্যে একজন শিক্ষককে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন