কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের ছোট বারেরা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর জমিতে ঘর নির্মাণে বাধা, হুমকি ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, ওই গ্রামের শাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে মোট ৯ শতক জমি ক্রয় করেন মোঃ মামুন। পরবর্তীতে ওই জমির মধ্যে ৬ শতক জমি প্রবাসী কাউসার আলমের কাছে বিক্রি করা হয়। জমি ক্রয়ের পর কাউসার আলম নিয়ম অনুযায়ী খতিয়ান ও খাজনা পরিশোধ করে ক্রয়কৃত জমিতে বেড়া দেন।
যখনই তিনি ওই জায়গায় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন, তখনই একই এলাকার আব্দুল মমিন গংরা বাধা প্রদান করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, আব্দুল মমিন ও তার সহযোগীরা প্রবাসী কাউসার আলমকে ওই জমিতে যেতে দিচ্ছে না এবং বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি ও মারধরের চেষ্টা করছে।
ঘটনার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ৩৮৬ নম্বর একটি খতিয়ান দেখায়। তবে ভুক্তভোগীরা ভূমি অফিসে যাচাই-বাছাই করলে জানতে পারেন, ওই খতিয়ানের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ভুয়া বলে দাবি করেন তারা। এ বিষয়ে ঝলম ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও বরুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে বালাম বই পর্যালোচনা করেও আব্দুল মমিন গংদের দেখানো খতিয়ানের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেন তারা।
পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা আদালতে মামলা করা হলে পিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী আব্দুল মমিন গংদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।
তবে সেই সময় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আব্দুল মমিন গংরা গ্রামবাসীর মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মামলা তুলে নেওয়ার অনুরোধ ও গ্রামবাসীর কথায় আস্থা রেখে তারা মামলা প্রত্যাহার করে নেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, এরপর কিছুদিন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করলেও বছর না যেতেই আবারও আব্দুল মমিন গংরা নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি করছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়াটিয়া লোক এনে তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
সর্বশেষ প্রবাসী কাউসার আলমের বৃদ্ধ বাবাকে কয়েকদিন আগে ও মারধর করেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জমির ক্রেতা মামুন বলেন, “আমাদের সব কাগজপত্র বৈধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মমিন গংরা আমাদের সঙ্গে এই ঝামেলা করে আসছে।”
তারা বর্তমান সরকার, জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, যদি তাদের কাগজপত্র বৈধ না হয় এবং আদালতের রায় তাদের পক্ষে না থাকে, তাহলে তারা জমির দাবি ছেড়ে দেবেন। আর যদি কাগজপত্র বৈধ হয়, তবে প্রশাসনের সহযোগিতায় যেন তারা নিজেদের জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের ছোট বারেরা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর জমিতে ঘর নির্মাণে বাধা, হুমকি ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, ওই গ্রামের শাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে মোট ৯ শতক জমি ক্রয় করেন মোঃ মামুন। পরবর্তীতে ওই জমির মধ্যে ৬ শতক জমি প্রবাসী কাউসার আলমের কাছে বিক্রি করা হয়। জমি ক্রয়ের পর কাউসার আলম নিয়ম অনুযায়ী খতিয়ান ও খাজনা পরিশোধ করে ক্রয়কৃত জমিতে বেড়া দেন।
যখনই তিনি ওই জায়গায় ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন, তখনই একই এলাকার আব্দুল মমিন গংরা বাধা প্রদান করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, আব্দুল মমিন ও তার সহযোগীরা প্রবাসী কাউসার আলমকে ওই জমিতে যেতে দিচ্ছে না এবং বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি ও মারধরের চেষ্টা করছে।
ঘটনার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ৩৮৬ নম্বর একটি খতিয়ান দেখায়। তবে ভুক্তভোগীরা ভূমি অফিসে যাচাই-বাছাই করলে জানতে পারেন, ওই খতিয়ানের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ভুয়া বলে দাবি করেন তারা। এ বিষয়ে ঝলম ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও বরুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে বালাম বই পর্যালোচনা করেও আব্দুল মমিন গংদের দেখানো খতিয়ানের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেন তারা।
পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা আদালতে মামলা করা হলে পিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী আব্দুল মমিন গংদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।
তবে সেই সময় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে আব্দুল মমিন গংরা গ্রামবাসীর মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মামলা তুলে নেওয়ার অনুরোধ ও গ্রামবাসীর কথায় আস্থা রেখে তারা মামলা প্রত্যাহার করে নেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, এরপর কিছুদিন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করলেও বছর না যেতেই আবারও আব্দুল মমিন গংরা নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি করছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়াটিয়া লোক এনে তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
সর্বশেষ প্রবাসী কাউসার আলমের বৃদ্ধ বাবাকে কয়েকদিন আগে ও মারধর করেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জমির ক্রেতা মামুন বলেন, “আমাদের সব কাগজপত্র বৈধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল মমিন গংরা আমাদের সঙ্গে এই ঝামেলা করে আসছে।”
তারা বর্তমান সরকার, জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, যদি তাদের কাগজপত্র বৈধ না হয় এবং আদালতের রায় তাদের পক্ষে না থাকে, তাহলে তারা জমির দাবি ছেড়ে দেবেন। আর যদি কাগজপত্র বৈধ হয়, তবে প্রশাসনের সহযোগিতায় যেন তারা নিজেদের জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন