শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৮৬ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার সীমান্তবর্তী চাটকিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক পাচারের তথ্য পেয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমিন ও এসআই রাসেল রৌহান চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চাটকিয়া এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মাথায় করে আনা পাঁচটি বস্তা ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি বস্তা থেকে মোট ৮৬ বোতল ভারতীয় ব্র্যান্ডের মদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মদ জব্দ করে নালিতাবাড়ী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নালিতাবাড়ী থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমিন।
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, “মাদককারবারীর সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা।

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৮৬ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার সীমান্তবর্তী চাটকিয়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক পাচারের তথ্য পেয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমিন ও এসআই রাসেল রৌহান চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চাটকিয়া এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মাথায় করে আনা পাঁচটি বস্তা ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি বস্তা থেকে মোট ৮৬ বোতল ভারতীয় ব্র্যান্ডের মদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মদ জব্দ করে নালিতাবাড়ী থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নালিতাবাড়ী থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমিন।
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, “মাদককারবারীর সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা।

আপনার মতামত লিখুন