ঢাকা   শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
মুক্তির লড়াই

এই পরিবারের নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭

চট্টগ্রামের হালিশহর ট্র্যাজেডিতে ঝড়লো বরুড়ার আরও একটি প্রাণ



চট্টগ্রামের হালিশহর ট্র্যাজেডিতে  ঝড়লো বরুড়ার আরও একটি প্রাণ

মৃত্যুর এই বিভীষিকা যেন থামছেই না। চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে একে একে বিদায় নিলেন একই পরিবারের সদস্যরা। তিন সহোদর সামির আহমেদ সুমন, শাখাওয়াত হোসেন এবং শিপনের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে যুক্ত হলো আরও একটি নাম।

​দীর্ঘ প্রায় এক মাস হাসপাতালের বিছানায় দগ্ধ শরীর নিয়ে যমে-মানুষে টানাটানি চলছিল আয়মানের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। এই নিয়ে একই পরিবারের মোট ৭ জন সদস্য প্রাণ হারালেন।


​কুমিল্লার বরুড়ার বাঘমারা গ্রামে এখন কেবলই লাশের সারি আর স্বজনদের গুমরে কাঁদা দীর্ঘশ্বাস। একটি সাজানো পরিবার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেল।​শোকাতুর সেই তালিকা:​১. সামির আহমেদ সুমন (বড় ভাই)২. পাখি আক্তার (সুমনের স্ত্রী)৩. শাখাওয়াত হোসেন (মেজো ভাই)৪. রানী বেগম (শাখাওয়াতের স্ত্রী)৫. শাওন (শাখাওয়াতের বড় ছেলে)৬. শিপন (সেজো ভাই)৭. আয়মান (শাখাওয়াতের মেয়ে)

​একই পরিবারের সদস্যদের এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামান্য এক বিস্ফোরণ কেড়ে নিল একটি পরিবারের মেরুদণ্ড। আমরা তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর  শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬


চট্টগ্রামের হালিশহর ট্র্যাজেডিতে ঝড়লো বরুড়ার আরও একটি প্রাণ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

মৃত্যুর এই বিভীষিকা যেন থামছেই না। চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে একে একে বিদায় নিলেন একই পরিবারের সদস্যরা। তিন সহোদর সামির আহমেদ সুমন, শাখাওয়াত হোসেন এবং শিপনের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে যুক্ত হলো আরও একটি নাম।

​দীর্ঘ প্রায় এক মাস হাসপাতালের বিছানায় দগ্ধ শরীর নিয়ে যমে-মানুষে টানাটানি চলছিল আয়মানের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। এই নিয়ে একই পরিবারের মোট ৭ জন সদস্য প্রাণ হারালেন।


​কুমিল্লার বরুড়ার বাঘমারা গ্রামে এখন কেবলই লাশের সারি আর স্বজনদের গুমরে কাঁদা দীর্ঘশ্বাস। একটি সাজানো পরিবার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেল।​শোকাতুর সেই তালিকা:​১. সামির আহমেদ সুমন (বড় ভাই)২. পাখি আক্তার (সুমনের স্ত্রী)৩. শাখাওয়াত হোসেন (মেজো ভাই)৪. রানী বেগম (শাখাওয়াতের স্ত্রী)৫. শাওন (শাখাওয়াতের বড় ছেলে)৬. শিপন (সেজো ভাই)৭. আয়মান (শাখাওয়াতের মেয়ে)

​একই পরিবারের সদস্যদের এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামান্য এক বিস্ফোরণ কেড়ে নিল একটি পরিবারের মেরুদণ্ড। আমরা তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর  শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত