যে শিক্ষকেরা সঠিক পথ দেখাবেন, সেই শিক্ষকেরাই ছাত্র-ছাত্রীদের ভুল পথে ঠেলে দিচ্ছেন। নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতে বাধ্য করছেন বুকলিষ্ট পাঠিয়ে। এধরনের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির বিরুদ্ধে।
বিষয়টিকে ঘিরে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জেরে জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান গত ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল আলিমকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত প্রতিবেদন ৫ কর্মদিবসের মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসার বরবার সুস্পষ্ট মতামত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারনে তা এখনও হয়ে উঠিনি।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, পাঞ্জেরী প্রকাশনীর পক্ষে এজেন্ট বা কোম্পানীয় প্রতিনিধি শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকার বিনিময়ে গাইড বইয়ের বাজার সৃষ্টি করেছে। শিক্ষকেরাও গাইড বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন। উপঢৌকন স্বরুপ কালীগঞ্জ শিক্ষক সমিতির রুপালী ব্যাংকের ৮৪৭ নং একাউন্টে দেওয়া হচ্ছে ২৪ লক্ষ টাকা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫২ টি এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ হাজারের অধিক। ঝিনাইদহ সদরের কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই সমিতির অন্ত:ভূক্ত।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি রুপালি ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখায় সমিতির হিসাব নম্বরে ২৪ লক্ষ টাকা লেনদেনের পর বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। টাকা নেওয়ার বিষয়টি কালীগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও প্রতিষ্ঠানের সদস্য সচিব আহসান হাবীব, তিনি কোন কিছুই জানেন না।
অভিভাবকদের অভিযোগ করেন, এসব গাইড বই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা শক্তি ও লেখার দক্ষতা নষ্ট করছে। গাইড বইয়ের বিষয়টি উন্মুক্ত রাখাই ভাল। উচ্চমুল্যে গাইড বই শ্রেনি কক্ষে পাঠদান করালে তাহলে শিক্ষকদের কাজটা কী?
পাঞ্জেরী পাবলিকেশনের বিক্রয় প্রতিনিধি সুমন স্বর্নকারের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, ‘শিক্ষকদের টাকা বা উপঢৌকন দেওয়ার ব্যাপারটা এজেন্ট ও কোম্পানি সরাসরি করে থাকে। মার্কেটিংয়ের জন্য উপঢৌকন দিতে হয়। এটা এখন বৈধ।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, শিক্ষকদের সম্মানীর বিনিময়ে গাইড কেনার পরামর্শ ও অর্থ দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত চলছে। শিক্ষা অফিস গুরুত্বের সাথে বিষয়টি দেখছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন,টাকার বিনিময়ে গাইড বই শিক্ষার্থীদের চাপিয়ে দেওয়া কোন ভাবেই কাম্য নয়। এধরনের কর্মকান্ড ঘটে থাকলে আইগনত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
যে শিক্ষকেরা সঠিক পথ দেখাবেন, সেই শিক্ষকেরাই ছাত্র-ছাত্রীদের ভুল পথে ঠেলে দিচ্ছেন। নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতে বাধ্য করছেন বুকলিষ্ট পাঠিয়ে। এধরনের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির বিরুদ্ধে।
বিষয়টিকে ঘিরে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের জেরে জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান গত ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল আলিমকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত প্রতিবেদন ৫ কর্মদিবসের মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসার বরবার সুস্পষ্ট মতামত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারনে তা এখনও হয়ে উঠিনি।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, পাঞ্জেরী প্রকাশনীর পক্ষে এজেন্ট বা কোম্পানীয় প্রতিনিধি শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকার বিনিময়ে গাইড বইয়ের বাজার সৃষ্টি করেছে। শিক্ষকেরাও গাইড বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন। উপঢৌকন স্বরুপ কালীগঞ্জ শিক্ষক সমিতির রুপালী ব্যাংকের ৮৪৭ নং একাউন্টে দেওয়া হচ্ছে ২৪ লক্ষ টাকা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫২ টি এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ হাজারের অধিক। ঝিনাইদহ সদরের কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই সমিতির অন্ত:ভূক্ত।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি রুপালি ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখায় সমিতির হিসাব নম্বরে ২৪ লক্ষ টাকা লেনদেনের পর বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে। টাকা নেওয়ার বিষয়টি কালীগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও প্রতিষ্ঠানের সদস্য সচিব আহসান হাবীব, তিনি কোন কিছুই জানেন না।
অভিভাবকদের অভিযোগ করেন, এসব গাইড বই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা শক্তি ও লেখার দক্ষতা নষ্ট করছে। গাইড বইয়ের বিষয়টি উন্মুক্ত রাখাই ভাল। উচ্চমুল্যে গাইড বই শ্রেনি কক্ষে পাঠদান করালে তাহলে শিক্ষকদের কাজটা কী?
পাঞ্জেরী পাবলিকেশনের বিক্রয় প্রতিনিধি সুমন স্বর্নকারের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, ‘শিক্ষকদের টাকা বা উপঢৌকন দেওয়ার ব্যাপারটা এজেন্ট ও কোম্পানি সরাসরি করে থাকে। মার্কেটিংয়ের জন্য উপঢৌকন দিতে হয়। এটা এখন বৈধ।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, শিক্ষকদের সম্মানীর বিনিময়ে গাইড কেনার পরামর্শ ও অর্থ দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত চলছে। শিক্ষা অফিস গুরুত্বের সাথে বিষয়টি দেখছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন,টাকার বিনিময়ে গাইড বই শিক্ষার্থীদের চাপিয়ে দেওয়া কোন ভাবেই কাম্য নয়। এধরনের কর্মকান্ড ঘটে থাকলে আইগনত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

আপনার মতামত লিখুন