স্বপ্ন ছিল ছোট্ট একটি সুখের সংসার গড়ার। বিয়ের মাত্র চার মাস না পেরুতেই সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল নির্মম বাস্তবতায়। বুধবার দুপুরে কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামের মাস্টার বাড়িতে তিন মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূ ইকরা আক্তার (২১)-এর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করলেও, ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রয়েছে নানামুখী বিতর্ক ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়-কচুয়া উপজেলার আশোরকোটা গ্রামের অধিবাসী ইকরা আক্তারের সাথে গত ৪ মাস আগে একই উপজেলার বিতারা এলাকার শফিকুল ইসলাম এর ছেলে সম্রাট (৩০)-এর সঙ্গে বিয়ে হয় । বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগে ছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। প্রায়ই সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো।এমনকি শারীরিক নির্যাতনেরও অভিযোগ রয়েছে।
নিহতের মা জোছনা বেগম জানান-বিয়ের পর থেকেই আমার মেয়েকে নানা কারণে মারধর করত সম্রাট। ঘটনার দিনও সে আমার মেয়েকে আমাদের আশারকোটা গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর দুপুরের মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাই। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।জড়িতদের ফাঁসি চাই।
ইকরার বোন ইতি আক্তার ও ভাই ইমন অভিযোগ করেন, সম্রাট পরকীয়া আসক্ত ছিলেন। এ ঘটনার জের ধরে প্রায়ই ইকরার ওপর নির্যাতন চালাতেন। তাদের দাবি পরিকল্পিতভাবে ইকরাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী সম্রাট ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান-খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
স্বপ্ন ছিল ছোট্ট একটি সুখের সংসার গড়ার। বিয়ের মাত্র চার মাস না পেরুতেই সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল নির্মম বাস্তবতায়। বুধবার দুপুরে কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামের মাস্টার বাড়িতে তিন মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূ ইকরা আক্তার (২১)-এর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার একে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করলেও, ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রয়েছে নানামুখী বিতর্ক ।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়-কচুয়া উপজেলার আশোরকোটা গ্রামের অধিবাসী ইকরা আক্তারের সাথে গত ৪ মাস আগে একই উপজেলার বিতারা এলাকার শফিকুল ইসলাম এর ছেলে সম্রাট (৩০)-এর সঙ্গে বিয়ে হয় । বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগে ছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। প্রায়ই সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো।এমনকি শারীরিক নির্যাতনেরও অভিযোগ রয়েছে।
নিহতের মা জোছনা বেগম জানান-বিয়ের পর থেকেই আমার মেয়েকে নানা কারণে মারধর করত সম্রাট। ঘটনার দিনও সে আমার মেয়েকে আমাদের আশারকোটা গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর দুপুরের মধ্যেই এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাই। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।জড়িতদের ফাঁসি চাই।
ইকরার বোন ইতি আক্তার ও ভাই ইমন অভিযোগ করেন, সম্রাট পরকীয়া আসক্ত ছিলেন। এ ঘটনার জের ধরে প্রায়ই ইকরার ওপর নির্যাতন চালাতেন। তাদের দাবি পরিকল্পিতভাবে ইকরাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী সম্রাট ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান-খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন