কুমিল্লার মুরাদনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (রাত ৯টা) উপজেলার পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাওলা সরকার (৪৫) মহেশপুর গ্রামের মৃত হাশেম সরকারের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও নিহতের চাচাতো ভাই আবদুর রহিম সরকার জানান, বাঙ্গরা বাজার থানার অন্তর্গত মহেশপুর গ্রামের নোয়াব সরকারের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের বিরোধ চলছিল। মেম্বার নির্বাচন ও সেচ প্রকল্প নিয়ে এ দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে এবং এসব ঘটনায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার রাতে মাওলাসহ কয়েকজন মহেশপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা খোরশেদ আলম, নানু মেম্বার, দেলোয়ার, মোজাম্মেলসহ ৮-১০ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা মাওলাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোশারফ হোসেন বলেন, “আমরা বাজার থেকে ফেরার পথে হঠাৎ ঝোপের ভেতর থেকে কয়েকজন বের হয়ে মাওলাকে পেছন থেকে আক্রমণ করে। আমরা চিৎকার শুরু করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, পিলখানা ঘটনার পর চাকরি হারিয়ে এলাকায় ফিরে খোরশেদ আলম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। বিভিন্ন হামলা-মামলার মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ তাদের। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি দল পরিবর্তন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের বলেন, “নির্বাচন-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা রেকর্ড করা হবে।”

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার মুরাদনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (রাত ৯টা) উপজেলার পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাওলা সরকার (৪৫) মহেশপুর গ্রামের মৃত হাশেম সরকারের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও নিহতের চাচাতো ভাই আবদুর রহিম সরকার জানান, বাঙ্গরা বাজার থানার অন্তর্গত মহেশপুর গ্রামের নোয়াব সরকারের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের বিরোধ চলছিল। মেম্বার নির্বাচন ও সেচ প্রকল্প নিয়ে এ দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বেও একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে এবং এসব ঘটনায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার রাতে মাওলাসহ কয়েকজন মহেশপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা খোরশেদ আলম, নানু মেম্বার, দেলোয়ার, মোজাম্মেলসহ ৮-১০ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা মাওলাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোশারফ হোসেন বলেন, “আমরা বাজার থেকে ফেরার পথে হঠাৎ ঝোপের ভেতর থেকে কয়েকজন বের হয়ে মাওলাকে পেছন থেকে আক্রমণ করে। আমরা চিৎকার শুরু করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, পিলখানা ঘটনার পর চাকরি হারিয়ে এলাকায় ফিরে খোরশেদ আলম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। বিভিন্ন হামলা-মামলার মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ তাদের। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি দল পরিবর্তন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের বলেন, “নির্বাচন-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা রেকর্ড করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন