ঢাকা   শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

প্রধান ফটক ও অফিস কক্ষে তালা

সূচীপাড়া ডিগ্রী কলেজে ফরম পূরণে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ



সূচীপাড়া ডিগ্রী কলেজে ফরম পূরণে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

চাঁদপুরের শাহরাস্তির সূচীপাড়া ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ব্যর্থ হয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা কলেজের প্রধান ফটক ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। 

প্রায় ৫ ঘন্টা কলেজের ভিতরে আটকা পড়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও অন্য শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর পৌনে ৩ টায় সমঝোতার আশ্বাস পেয়ে তালা খুলে দেয় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা। 


এ বিষয়ে কলেজ শিক্ষার্থী সামছুল আরেফিন মাহিন জানায়, টেস্ট পরীক্ষায় আমরা ৩৬০ শিক্ষার্থী অংশ নেই। এতে ৮৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। তার মধ্যে ২শ ৬৭ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়। এদের মধ্যে সভাপতি ও বিভিন্ন মাধ্যমে সুপারিশক্রমে যারা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকেও ফরম পূরণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, ৬ থেকে ৭ বিষয়ে অকৃতকার্যদেরকেও ফরম পূরণ করা হয়েছে। কিন্তু দুই থেকে তিন বিষয়ে অকৃতকার্যদের ফরম পূরণে সুযোগ দেয়া হয়নি। 


শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, টেস্ট পরীক্ষার নম্বর পত্র আমাদের দেখানো হয়নি। আমরা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করছি। 

শিক্ষার্থী মেহরাজুল ইসলামের মা দাবি করেন আমার ছেলে তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ ফরম পূরণ করার কথা বলে আমার থেকে টাকা নিয়েছেন কিন্তু আমার ছেলেকে ফরম পূরণ করেনি। 

কলেজের ফরম পূরণের দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক নূরুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বরাত দিয়ে কেটে পড়েন। 


ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেনকে কলেজে না পেয়ে বেশ কয়েকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। 

কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি হাসান আহমেদ টিপু জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি সঠিক নয়। ৩১ মার্চ ফরম পূরণের সময় শেষ হয়েছে। এখন তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এমন করছে। আমার সুপারিশে একজন শিক্ষার্থীকেও ফরম পূরণ করা হয়নি। প্রমাণ দিতে পারলে পদত্যাগ করবো।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


সূচীপাড়া ডিগ্রী কলেজে ফরম পূরণে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের শাহরাস্তির সূচীপাড়া ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ব্যর্থ হয়ে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা কলেজের প্রধান ফটক ও অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। 

প্রায় ৫ ঘন্টা কলেজের ভিতরে আটকা পড়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও অন্য শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর পৌনে ৩ টায় সমঝোতার আশ্বাস পেয়ে তালা খুলে দেয় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা। 


এ বিষয়ে কলেজ শিক্ষার্থী সামছুল আরেফিন মাহিন জানায়, টেস্ট পরীক্ষায় আমরা ৩৬০ শিক্ষার্থী অংশ নেই। এতে ৮৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। তার মধ্যে ২শ ৬৭ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়। এদের মধ্যে সভাপতি ও বিভিন্ন মাধ্যমে সুপারিশক্রমে যারা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকেও ফরম পূরণ করা হয়েছে।


শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, ৬ থেকে ৭ বিষয়ে অকৃতকার্যদেরকেও ফরম পূরণ করা হয়েছে। কিন্তু দুই থেকে তিন বিষয়ে অকৃতকার্যদের ফরম পূরণে সুযোগ দেয়া হয়নি। 


শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, টেস্ট পরীক্ষার নম্বর পত্র আমাদের দেখানো হয়নি। আমরা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করছি। 


শিক্ষার্থী মেহরাজুল ইসলামের মা দাবি করেন আমার ছেলে তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ ফরম পূরণ করার কথা বলে আমার থেকে টাকা নিয়েছেন কিন্তু আমার ছেলেকে ফরম পূরণ করেনি। 


কলেজের ফরম পূরণের দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক নূরুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বরাত দিয়ে কেটে পড়েন। 


ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেনকে কলেজে না পেয়ে বেশ কয়েকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। 


কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি হাসান আহমেদ টিপু জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি সঠিক নয়। ৩১ মার্চ ফরম পূরণের সময় শেষ হয়েছে। এখন তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এমন করছে। আমার সুপারিশে একজন শিক্ষার্থীকেও ফরম পূরণ করা হয়নি। প্রমাণ দিতে পারলে পদত্যাগ করবো।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত