গভীর সমুদ্র ও নদ‐নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ট্রলারে জেলেদের জীবন রাকারী সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস’র সহযোগিতায় ফিসনেট প্রকল্পের আওতায় পাথরঘাটা উপজেলায় ১০০ ট্রলারে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.ছগীর আলম, উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন এসমে, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুবোধ কুমার বিশ্বাস বলেন, গভীর সমুদ্র এবং নদীতে উপকূলের জেলেরা জীবনের ঝূকি নিয়ে মাছ শিকার করছে। ট্রলারে লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া না থাকায় ঝড় জলোচ্ছাসে ট্রলারে প্রায় জেলে নিখোঁজ এবং মৃত্যর খবর শোনা যায। সে বিবেচনা করেই পাথরঘাটায় ১০০ ট্রলারে অন্তত ১ হাজার জেলেকে লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, রেইনকোর্ট, গামবুট, ট্রলবক্স, চিকিৎসার জন্য ফাস্টএইড বক্স, রেডিও, পাওয়ার ব্যাংকসহ ১৪ প্রকারের সামগ্রী প্রদান করা হয়। প্রতিটি ট্রলারেই এ প্যাকেজ দেয়া হয়।
শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সমুদ্রগামী জীবন রাকারী যে সরঞ্জামাদি দেয়া হলো সেটি সঠিকভাবে রনাবেণ এবং ব্যবহার করতে হবে। নিজেদের জীবন রার জন্য, পরিবারের কথা চিন্তা করে সরঞ্জামাদি ব্যবহারের পরামর্শ দেন জেলেদের।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, জীবনের ঝূকি নিয়েই সাগরে জেলেরা মাছ শিকার করে। দুর্যোগের সময় সাগরে এসব জেলেরা নানা দুর্ঘটনায় পড়ে। লাইফ জ্যাকেট বা লাইফ বয়া থাকলে হয়তো ফিরে আসতে পারে স¦জনদের কাছে। সমুদ্রগামী ট্রলারে জীবন রাকারী সরঞ্জামাদি খুবই গুরুত্বপুর্ণ।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
গভীর সমুদ্র ও নদ‐নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ট্রলারে জেলেদের জীবন রাকারী সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস’র সহযোগিতায় ফিসনেট প্রকল্পের আওতায় পাথরঘাটা উপজেলায় ১০০ ট্রলারে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.ছগীর আলম, উপজেলা পানি কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন এসমে, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।
প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুবোধ কুমার বিশ্বাস বলেন, গভীর সমুদ্র এবং নদীতে উপকূলের জেলেরা জীবনের ঝূকি নিয়ে মাছ শিকার করছে। ট্রলারে লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া না থাকায় ঝড় জলোচ্ছাসে ট্রলারে প্রায় জেলে নিখোঁজ এবং মৃত্যর খবর শোনা যায। সে বিবেচনা করেই পাথরঘাটায় ১০০ ট্রলারে অন্তত ১ হাজার জেলেকে লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয়া, রেইনকোর্ট, গামবুট, ট্রলবক্স, চিকিৎসার জন্য ফাস্টএইড বক্স, রেডিও, পাওয়ার ব্যাংকসহ ১৪ প্রকারের সামগ্রী প্রদান করা হয়। প্রতিটি ট্রলারেই এ প্যাকেজ দেয়া হয়।
শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সমুদ্রগামী জীবন রাকারী যে সরঞ্জামাদি দেয়া হলো সেটি সঠিকভাবে রনাবেণ এবং ব্যবহার করতে হবে। নিজেদের জীবন রার জন্য, পরিবারের কথা চিন্তা করে সরঞ্জামাদি ব্যবহারের পরামর্শ দেন জেলেদের।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, জীবনের ঝূকি নিয়েই সাগরে জেলেরা মাছ শিকার করে। দুর্যোগের সময় সাগরে এসব জেলেরা নানা দুর্ঘটনায় পড়ে। লাইফ জ্যাকেট বা লাইফ বয়া থাকলে হয়তো ফিরে আসতে পারে স¦জনদের কাছে। সমুদ্রগামী ট্রলারে জীবন রাকারী সরঞ্জামাদি খুবই গুরুত্বপুর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন