কুমিল্লার উন্নয়নের পথে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে নবগঠিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)-এর কার্যক্রমের মাধ্যমে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরুড়া উপজেলার কৃতী সন্তান মো. খলিল আহমেদ, যা পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা সম্প্রতি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কুউকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পরিকল্পনাগত দৃষ্টিভঙ্গি কুমিল্লার উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
মো. খলিল আহমেদের পৈত্রিক নিবাস চাঁদপুর উপজেলার শাহারাস্তি হলে ও সে বরুড়া উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নে। শৈশব-কৈশোরের ও লেখাপড়া করে বড় হয়েছে। স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদের মানুষের কাছে তার এই সাফল্য এক আনন্দের বার্তা হয়ে এসেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, নিজ এলাকার একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি এ দায়িত্ব পাওয়ায় কুমিল্লার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে কুউকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে খলিল আহমেদের দায়িত্বগ্রহণ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।
এ নিয়োগের মাধ্যমে কুমিল্লাবাসীর মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও টেকসই নগর গঠনে তার নেতৃত্বে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার মুখে মুখে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার উন্নয়নের পথে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে নবগঠিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)-এর কার্যক্রমের মাধ্যমে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরুড়া উপজেলার কৃতী সন্তান মো. খলিল আহমেদ, যা পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা সম্প্রতি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কুউকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পরিকল্পনাগত দৃষ্টিভঙ্গি কুমিল্লার উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
মো. খলিল আহমেদের পৈত্রিক নিবাস চাঁদপুর উপজেলার শাহারাস্তি হলে ও সে বরুড়া উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নে। শৈশব-কৈশোরের ও লেখাপড়া করে বড় হয়েছে। স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদের মানুষের কাছে তার এই সাফল্য এক আনন্দের বার্তা হয়ে এসেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, নিজ এলাকার একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি এ দায়িত্ব পাওয়ায় কুমিল্লার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে কুউকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে খলিল আহমেদের দায়িত্বগ্রহণ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।
এ নিয়োগের মাধ্যমে কুমিল্লাবাসীর মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও টেকসই নগর গঠনে তার নেতৃত্বে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার মুখে মুখে।

আপনার মতামত লিখুন