ঢাকা   শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

কুউক এর প্রথম চেয়ারম্যান মোঃ খলিল আহমদ



কুউক এর প্রথম চেয়ারম্যান মোঃ খলিল আহমদ

কুমিল্লার উন্নয়নের পথে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে নবগঠিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)-এর কার্যক্রমের মাধ্যমে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরুড়া উপজেলার কৃতী সন্তান মো. খলিল আহমেদ, যা পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয়।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা সম্প্রতি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কুউকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পরিকল্পনাগত দৃষ্টিভঙ্গি কুমিল্লার উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

মো. খলিল আহমেদের পৈত্রিক নিবাস চাঁদপুর উপজেলার শাহারাস্তি হলে ও সে বরুড়া  উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নে। শৈশব-কৈশোরের  ও লেখাপড়া  করে বড় হয়েছে। স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদের মানুষের কাছে তার এই সাফল্য এক আনন্দের বার্তা হয়ে এসেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, নিজ এলাকার একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি এ দায়িত্ব পাওয়ায় কুমিল্লার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে কুউকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে খলিল আহমেদের দায়িত্বগ্রহণ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

এ নিয়োগের মাধ্যমে কুমিল্লাবাসীর মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও টেকসই নগর গঠনে তার নেতৃত্বে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার মুখে মুখে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


কুউক এর প্রথম চেয়ারম্যান মোঃ খলিল আহমদ

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার উন্নয়নের পথে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে নবগঠিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কুউক)-এর কার্যক্রমের মাধ্যমে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরুড়া উপজেলার কৃতী সন্তান মো. খলিল আহমেদ, যা পুরো জেলার জন্য গর্বের বিষয়।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা সম্প্রতি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কুউকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। তার দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পরিকল্পনাগত দৃষ্টিভঙ্গি কুমিল্লার উন্নয়নকে নতুন মাত্রা দেবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

মো. খলিল আহমেদের পৈত্রিক নিবাস চাঁদপুর উপজেলার শাহারাস্তি হলে ও সে বরুড়া  উপজেলার পয়ালগাছা ইউনিয়নে। শৈশব-কৈশোরের  ও লেখাপড়া  করে বড় হয়েছে। স্মৃতিবিজড়িত এই জনপদের মানুষের কাছে তার এই সাফল্য এক আনন্দের বার্তা হয়ে এসেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, নিজ এলাকার একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি এ দায়িত্ব পাওয়ায় কুমিল্লার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে কুউকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই সংস্থার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে খলিল আহমেদের দায়িত্বগ্রহণ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ।

এ নিয়োগের মাধ্যমে কুমিল্লাবাসীর মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও টেকসই নগর গঠনে তার নেতৃত্বে কুমিল্লা এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই এখন সবার মুখে মুখে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত