ঢাকা   বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

১০ বছর পর তনু হত্যা মামলার সন্দেহভাজন একজন আটক



১০ বছর পর তনু হত্যা মামলার সন্দেহভাজন একজন আটক

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ছিলেন তনু। ২০১৬ সালে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে,  শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন সহ দ্রুত বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলে।

দীর্ঘ ১০ বছর পর আলোচিত তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।৷ আটককৃত ব্যক্তি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান। তার ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

২২ এপ্রিল রোজ বুধবার  বিকেলে কুমিল্লা সদর আমলী আদালত-১ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন। এর আগে পিবিআই গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই সূত্রে জনা যায়, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কুমিল্লা আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে চলতি মাসের ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি চান। তারা হলেন- সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০টি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার অধীনে সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।


এদিকে, শুনানির সময় নিহত তনুর বাবা-মা এবং তার ছোট ভাই রুবেল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬


১০ বছর পর তনু হত্যা মামলার সন্দেহভাজন একজন আটক

প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ছিলেন তনু। ২০১৬ সালে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে,  শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, মানববন্ধন সহ দ্রুত বিচার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলে।


দীর্ঘ ১০ বছর পর আলোচিত তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।৷ আটককৃত ব্যক্তি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান। তার ০৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।


২২ এপ্রিল রোজ বুধবার  বিকেলে কুমিল্লা সদর আমলী আদালত-১ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক এ আদেশ দেন। এর আগে পিবিআই গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুর রহমানকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করে।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই সূত্রে জনা যায়, হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কুমিল্লা আদালতে উপস্থাপন করা হয়।


এর আগে চলতি মাসের ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি চান। তারা হলেন- সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলম।


আদালত সূত্রে জানা গেছে, এ মামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০টি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত এক দশকে চারটি সংস্থার অধীনে সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।


এদিকে, শুনানির সময় নিহত তনুর বাবা-মা এবং তার ছোট ভাই রুবেল হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত