মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাঙামাটি ইউনিটি কমান্ডের আহবায়ক লুৎফর রহমানসহ পুরো কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করেছে রাঙামাটি জেলায় সকল বসবাসকারী মুক্তিযোদ্ধারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকায় রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ হল রুমে অনুষ্ঠিত রাঙামাটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাধারণ সভায় এই ঘোষণা দেয়া হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বের সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী কামাল উদ্দিন।
উক্ত সাধারণ সভায় বক্তার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় করা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক লৎফুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানী করে চলছে। সংসদের ফান্ডে থাকা অর্থ লুটপাটের চেষ্টা করছেন যা কোনভাবেই স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা মেনে নিবে না। আর্থিক ক্ষমতা নির্বাচিত কমিটি না হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কাছে ক্ষমতা রাখার দাবিও করেন। দ্রুত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবি জানানো হয়। অন্যদিকে দেশে বিভিন্নস্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলার নিন্দার জানান। এরসাথে জড়িতদের বিচারের পাশাপাশি দ্রুত স্মৃতিস্তম্ভগুলো পুণনির্মানের দাবিও জানানো হয়।
এসময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক ডেপুটি কমান্ডনর বীর মুক্তিযোদ্ধা শুক্কুর আহমেদ তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সবুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলীসহ বিভিন্ন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধিবৃন্দ।
সভায় রাঙামাটি জেলায় বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন৷

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাঙামাটি ইউনিটি কমান্ডের আহবায়ক লুৎফর রহমানসহ পুরো কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করেছে রাঙামাটি জেলায় সকল বসবাসকারী মুক্তিযোদ্ধারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকায় রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ হল রুমে অনুষ্ঠিত রাঙামাটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাধারণ সভায় এই ঘোষণা দেয়া হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বের সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী কামাল উদ্দিন।
উক্ত সাধারণ সভায় বক্তার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় করা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক লৎফুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানী করে চলছে। সংসদের ফান্ডে থাকা অর্থ লুটপাটের চেষ্টা করছেন যা কোনভাবেই স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা মেনে নিবে না। আর্থিক ক্ষমতা নির্বাচিত কমিটি না হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কাছে ক্ষমতা রাখার দাবিও করেন। দ্রুত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবি জানানো হয়। অন্যদিকে দেশে বিভিন্নস্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলার নিন্দার জানান। এরসাথে জড়িতদের বিচারের পাশাপাশি দ্রুত স্মৃতিস্তম্ভগুলো পুণনির্মানের দাবিও জানানো হয়।
এসময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক ডেপুটি কমান্ডনর বীর মুক্তিযোদ্ধা শুক্কুর আহমেদ তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সবুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আলীসহ বিভিন্ন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধিবৃন্দ।
সভায় রাঙামাটি জেলায় বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন৷

আপনার মতামত লিখুন