ঢাকা   বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মুক্তির লড়াই

কটিয়াদীতে খাদ্য অধিদপ্তরের ৪৫ বস্তা চাল কালোবাজারি কাছ থেকে জব্দ



কটিয়াদীতে খাদ্য অধিদপ্তরের ৪৫ বস্তা চাল কালোবাজারি কাছ থেকে জব্দ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মসূচির ৪৫ বস্তা চাল জব্দ করেছে পুলিশ।  উপজেলার কলিমবাড়ি মোড়ে শফিকুল ইসলামের একটি দোকান থেকে এসব চাল জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে সরকারিভাবে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও করগাঁও ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ফারুক মিয়া এসব চাল অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছেন—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি ওজনের ২৫ বস্তা চাল এবং প্লাস্টিক বস্তায় সংরক্ষিত ৪০ কেজি ওজনের আরও ২০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. ফারুক মিয়াকে আটক করা হয়নি।


এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে নানা অভিযোগ উঠেছে। করগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ও স্থানীয় ব্যক্তি জাকারিয়া অভিযোগ করেন, বর্তমান চেয়ারম্যান লায়ন মো. নাদিম মোল্লা নিজের লোকজনের মাধ্যমে একাধিকবার সরকারি চাল উত্তোলন করে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ফারুক মিয়ার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন লোকজন দোকানে এসে চাল বিক্রি করলে তিনি তা ক্রয় করেন। তিনি পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা কোনো ডিলারের কাছ থেকে চাল কেনেননি বলেও দাবি করেন।

কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে করগাঁও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লায়ন মো. নাদিম মোল্লা বলেন, খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মসূচির আওতায় দেওয়া কিছু চাল সাধারণ মানুষ নিজের ইচ্ছায় বিক্রি করেছেন। পরে একজন ব্যবসায়ী সেসব চাল কিনে নিয়েছেন। তিনি পরিষদ থেকে অবৈধভাবে চাল বিক্রির অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

সরকারি সহায়তার চাল জব্দের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


কটিয়াদীতে খাদ্য অধিদপ্তরের ৪৫ বস্তা চাল কালোবাজারি কাছ থেকে জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মসূচির ৪৫ বস্তা চাল জব্দ করেছে পুলিশ।  উপজেলার কলিমবাড়ি মোড়ে শফিকুল ইসলামের একটি দোকান থেকে এসব চাল জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে সরকারিভাবে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা থাকলেও করগাঁও ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ফারুক মিয়া এসব চাল অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছেন—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি ওজনের ২৫ বস্তা চাল এবং প্লাস্টিক বস্তায় সংরক্ষিত ৪০ কেজি ওজনের আরও ২০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. ফারুক মিয়াকে আটক করা হয়নি।


এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে নানা অভিযোগ উঠেছে। করগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ও স্থানীয় ব্যক্তি জাকারিয়া অভিযোগ করেন, বর্তমান চেয়ারম্যান লায়ন মো. নাদিম মোল্লা নিজের লোকজনের মাধ্যমে একাধিকবার সরকারি চাল উত্তোলন করে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ফারুক মিয়ার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিভিন্ন লোকজন দোকানে এসে চাল বিক্রি করলে তিনি তা ক্রয় করেন। তিনি পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা কোনো ডিলারের কাছ থেকে চাল কেনেননি বলেও দাবি করেন।

কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে করগাঁও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লায়ন মো. নাদিম মোল্লা বলেন, খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মসূচির আওতায় দেওয়া কিছু চাল সাধারণ মানুষ নিজের ইচ্ছায় বিক্রি করেছেন। পরে একজন ব্যবসায়ী সেসব চাল কিনে নিয়েছেন। তিনি পরিষদ থেকে অবৈধভাবে চাল বিক্রির অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

সরকারি সহায়তার চাল জব্দের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ মুক্তির লড়াই । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত