কুমিল্লার বরুড়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে এক নরপশুর যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে আট বছর বয়সী দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১০নং উত্তরশীলমুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অফিসের সামনে অবস্থিত একটি মুদি দোকানে। অভিযুক্ত দোকানির নাম ওদুদ মিয়া।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির গ্রামের বাড়ি জয়কামতায়। সে নানার বাড়িতে বেড়াতে এলে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে শিশুটি তার বেশ কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে দোকানটিতে যায়। এই সুযোগে দোকানি ওদুদ মিয়া কৌশলে অন্য শিশুদের দোকান থেকে সরিয়ে দেয় এবং একা পেয়ে তার পোশাক খুলে তার সঙ্গে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে।
তবে দূর থেকে বিষয়টি দেখে ফেলে তার সহপাঠীরা। পরে তারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে অভিভাবকদের কাছে ঘটনার বিবরণ দিলে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
মেয়েটির খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “মেয়েটা নানার বাড়িতে আনন্দ করতে এসেছিল। সে মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে — একটা ছোট্ট নিষ্পাপ শিশু। এই পশুটা তার সেই নিরীহ শৈশবকে কলুষিত করতে চেয়েছে। আমরা অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন একটি দোকানে দিনের আলোয় এভাবে শিশু নিপীড়নের ঘটনা ঘটলে নিরাপত্তা কোথায়?
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে এক নরপশুর যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে আট বছর বয়সী দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১০নং উত্তরশীলমুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অফিসের সামনে অবস্থিত একটি মুদি দোকানে। অভিযুক্ত দোকানির নাম ওদুদ মিয়া।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির গ্রামের বাড়ি জয়কামতায়। সে নানার বাড়িতে বেড়াতে এলে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে শিশুটি তার বেশ কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে দোকানটিতে যায়। এই সুযোগে দোকানি ওদুদ মিয়া কৌশলে অন্য শিশুদের দোকান থেকে সরিয়ে দেয় এবং একা পেয়ে তার পোশাক খুলে তার সঙ্গে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করে।
তবে দূর থেকে বিষয়টি দেখে ফেলে তার সহপাঠীরা। পরে তারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে অভিভাবকদের কাছে ঘটনার বিবরণ দিলে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
মেয়েটির খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “মেয়েটা নানার বাড়িতে আনন্দ করতে এসেছিল। সে মাত্র দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে — একটা ছোট্ট নিষ্পাপ শিশু। এই পশুটা তার সেই নিরীহ শৈশবকে কলুষিত করতে চেয়েছে। আমরা অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন একটি দোকানে দিনের আলোয় এভাবে শিশু নিপীড়নের ঘটনা ঘটলে নিরাপত্তা কোথায়?
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন