মুক্তির লড়াই

শিক্ষাঙ্গন

আমতলীতে জীবনের ঝুঁকিতে শতাধিক শিক্ষার্থী, ঘটতে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন

আমতলীতে জীবনের ঝুঁকিতে শতাধিক শিক্ষার্থী, ঘটতে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন

প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন বা টিনের ঘর। উল্টো বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা না করেই দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলমান বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যেকোনো সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮৫ সালের জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডির চেয়েও ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘ পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। শুরুর দিকে যে দ্বিতল ভবনটি দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, বর্তমানে সেটি সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে তৈরি করা ছোট দুটি হাফ বিল্ডিংয়ের অবস্থাও তথৈবচ।


সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেওয়ালে বিশাল ফাটল এবং রড বেরিয়ে আছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষ হয়ে ওঠে পাঠদান অযোগ্য। অথচ বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই শত শত শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই ভবনেই ক্লাস করতে হচ্ছে। অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বিদ্যালয়টি অনেক আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা উচিৎ ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ না থাকায় শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান সহ কার্যক্রম পরিচালনা করায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


আমতলীতে জীবনের ঝুঁকিতে শতাধিক শিক্ষার্থী, ঘটতে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেও জোটেনি সরকারি কোনো ভবন বা টিনের ঘর। উল্টো বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা না করেই দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলমান বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যেকোনো সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮৫ সালের জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডির চেয়েও ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘ পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। শুরুর দিকে যে দ্বিতল ভবনটি দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, বর্তমানে সেটি সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ। এর পাশাপাশি পরবর্তীতে তৈরি করা ছোট দুটি হাফ বিল্ডিংয়ের অবস্থাও তথৈবচ।


সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেওয়ালে বিশাল ফাটল এবং রড বেরিয়ে আছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণিকক্ষ হয়ে ওঠে পাঠদান অযোগ্য। অথচ বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই শত শত শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই ভবনেই ক্লাস করতে হচ্ছে। অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বিদ্যালয়টি অনেক আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা উচিৎ ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন ভবন নির্মাণের কোনো উদ্যোগ না থাকায় শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান সহ কার্যক্রম পরিচালনা করায় যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও স্থানীয় এলাকাবাসী।



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই