চাঁদপুরের কচুয়ায় বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিহতের ঘর থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার গভীর রাতে উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটা গ্রামে সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে কুপিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় ঘাতকরা।
ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় তদন্তে নামে কচুয়া থানা পুলিশ। কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিজুল ইসলামের নেতৃত্বে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেনসহ পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত মো. ইয়াসিন মিয়াজীকে (২২) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ইয়াসিন ওই গ্রামের মিয়াজী বাড়ির মো. বগু মিয়াজীর ছেলে।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ইয়াসিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার তাঁর নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, এটি একটি ক্লুলেস (সূত্রবিহীন) হত্যাকাণ্ড ছিল। তবে আমাদের কঠোর তৎপরতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। কচুয়ায় কোনো অপরাধী পার পাবে না; অপরাধ দমনে পুলিশ সব সময় সজাগ ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আগামীকাল মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
চাঁদপুরের কচুয়ায় বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিহতের ঘর থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার গভীর রাতে উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটা গ্রামে সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে কুপিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় ঘাতকরা।
ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় তদন্তে নামে কচুয়া থানা পুলিশ। কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিজুল ইসলামের নেতৃত্বে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেনসহ পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত মো. ইয়াসিন মিয়াজীকে (২২) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ইয়াসিন ওই গ্রামের মিয়াজী বাড়ির মো. বগু মিয়াজীর ছেলে।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ইয়াসিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার তাঁর নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, এটি একটি ক্লুলেস (সূত্রবিহীন) হত্যাকাণ্ড ছিল। তবে আমাদের কঠোর তৎপরতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। কচুয়ায় কোনো অপরাধী পার পাবে না; অপরাধ দমনে পুলিশ সব সময় সজাগ ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আগামীকাল মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন