কুমিল্লার চান্দিনায় অভিনব কায়দায় রান্নার হলুদের প্যাকেটে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় যুবসমাজ। পরে ‘৯৯৯’—এ কল দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয় ।
এই ঘটনায় চান্দিনা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতারকৃত আবু কালাম চান্দিনা উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের বিনতমুরি গ্রামের মৃত শাহজালালের ছেলে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাদক বিক্রির সাথে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মুরাদনগর গ্রামে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় আবু কালামকে অবরুদ্ধ করে স্থানীয় একদল যুবক। এরপর তার সাথে থাকা একটি খরচের ব্যাগ তল্লাশি করা হলে রান্নার হলুদের একটি প্যাকেট পাওয়া যায়। যুবকদের সন্দেহ হলে তারা প্যাকেটটি খুলে ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
উপস্থিত জনতা ও পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আবু কালাম স্বীকার করেছে যে, সে পার্শ্ববর্তী দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকার জাহিদ নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এই ইয়াবাগুলো কিনে এনেছিল। এর একটি অংশ নিজে সেবন এবং বাকি অংশ বাতাঘাসী গ্রামের দুই যুবকের কাছে খুচরা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছিল।
এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি মুরাদনগর, রনখলা ও আশপাশের গ্রামগুলোকে মাদকের মরণছোবল থেকে রক্ষা করতে মুরাদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে প্রতিরোধের আহ্বান জানান। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজের এই সতর্ক নজরদারির কারণেই ধরা পড়ে এই মাদক বিক্রেতা।
এই বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন— উদ্ধারকৃত ইয়াবার ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনায় অভিনব কায়দায় রান্নার হলুদের প্যাকেটে ২০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় যুবসমাজ। পরে ‘৯৯৯’—এ কল দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয় ।
এই ঘটনায় চান্দিনা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতারকৃত আবু কালাম চান্দিনা উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের বিনতমুরি গ্রামের মৃত শাহজালালের ছেলে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কালাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাদক বিক্রির সাথে জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মুরাদনগর গ্রামে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় আবু কালামকে অবরুদ্ধ করে স্থানীয় একদল যুবক। এরপর তার সাথে থাকা একটি খরচের ব্যাগ তল্লাশি করা হলে রান্নার হলুদের একটি প্যাকেট পাওয়া যায়। যুবকদের সন্দেহ হলে তারা প্যাকেটটি খুলে ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
উপস্থিত জনতা ও পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আবু কালাম স্বীকার করেছে যে, সে পার্শ্ববর্তী দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজার এলাকার জাহিদ নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এই ইয়াবাগুলো কিনে এনেছিল। এর একটি অংশ নিজে সেবন এবং বাকি অংশ বাতাঘাসী গ্রামের দুই যুবকের কাছে খুচরা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছিল।
এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি মুরাদনগর, রনখলা ও আশপাশের গ্রামগুলোকে মাদকের মরণছোবল থেকে রক্ষা করতে মুরাদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মাদক কারবার ও সেবনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে প্রতিরোধের আহ্বান জানান। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজের এই সতর্ক নজরদারির কারণেই ধরা পড়ে এই মাদক বিক্রেতা।
এই বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন— উদ্ধারকৃত ইয়াবার ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় এই অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন