মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

কচুয়া -তেতৈয়া সড়ক পচা মাছের আঁশের মত ক্ষয়ে ক্ষয়ে চলাচলের অযোগ্য

কচুয়া -তেতৈয়া সড়ক পচা মাছের আঁশের মত ক্ষয়ে ক্ষয়ে চলাচলের অযোগ্য

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কচুয়া -তেতৈয়া  সড়কটি উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষের  চলাচলের জন্য  একমাত্র সড়ক পথ। এ পথ ধরে কচুয়ার উত্তরাঞ্চলের অন্তত ২০ টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ  যাতায়াত করে থাকেন। বিশেষ করে কচুয়া পৌরসভাধীন মাসিমপুর, ধামালুয়া, উত্তর কচুয়া  মুন্সিবাড়ির লোকজন। এছাড়াও উপজেলার সাত নম্বর  সদর ইউনিয়নের  কোমরকাশা, মিঞাবাড়ী, ধলিকচুয়া, আন্দিরপাড়, হোসেনপুর ও বদরপুর গ্রামের বাসিন্দারা এ সড়ক হয়ে কচুয়া ও বিভিন্ন জেলা শহরে যাতায়াত করে থাকেন। উপজেলার  ৬ নং উত্তর কচুয়া ইউনিয়নের তেতৈয়া, জলা  তেতৈয়া, নাহারা,উজানী,  খিড্ডা, দারচর, নোয়াদ্দা,লতিফপুর বাইছাড়া, তিলকিয়া ভিটা, সিং আড্ডা,বরুচরসহ পার্শ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলার কড়ইয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের লোকজন এ পথ ব্যবহার করে কচুয়ার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। বিশেষ করে  এসব গ্রামের ক্ষুদে স্কুল শিক্ষার্থীরা  এ সড়ক ব্যবহার করে কচুয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও হযরত  শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা  করে থাকে। কিন্তু সড়কটির কচুয়া  পৌরসভাধীন  সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে কোমরকাশা  পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের বেহাল দশা থাকায় সড়কটিতে চলাচলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অতি বৃষ্টির কারণে সড়কের গর্তে পানি আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। 


কচুয়া - তেতৈয়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও গর্তে ভরা। যা যানবাহন ও পথচারীদের জন্য মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কটির সম্মুখভাগে রয়েছে কচুয়া  সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। যেখানে কচুয়া  উপজেলার সাড়ে ৪ লক্ষ   মানুষজন তাদের জমিজমা রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধনের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সেবা নিয়ে থাকেন। তাদেরকেও এ পথ ব্যবহারে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

 

❝সড়কের বিভিন্ন স্থানে পচা মাছের আঁশের মত ক্ষয়ে ক্ষয়ে  সড়কটির  পিস উঠে গিয়ে  যান ও জন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে❞

সড়কটি সংস্কারের পাশাপাশি দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। 

এই সড়কটি শুধু পৌর এলাকাই নয়। উপজেলার উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের লক্ষাধীক মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম এ সড়কটি।

পৌরসভাধীন ধামালুয়া  গ্রামের অধিবাসী ও বিএনপি নেতা হাবিব উল্লাহ হাবিব জানিয়েছেন - সড়কটির কচুয়া পৌরসভা অংশের অবস্থা খুবই খারাপ। অতিবৃষ্টি হওয়ায় ও গাইডওয়াল  না থাকায় সড়কটির অবস্থা আরো ভয়াবহ। স্থানীয়দের পারাপারে সড়কটি সংস্কার করা জরুরী। 

কচুয়া উপজেলা স্থানীয় সরকার নির্বাহী প্রকৌশলী ( এলজিইডি) আব্দুল আলীম লিটন জানিয়েছেন- কচুয়া পৌরসভার বাইরের সড়ক গুলোর অন্তত ২৭ টি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ওই সড়কট এ তালিকায় রয়েছে কিনা দেখে বলতে হবে।

এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহমুদুল হাসান রাসেলকে একাধিকবার  কল করেও তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি ।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


কচুয়া -তেতৈয়া সড়ক পচা মাছের আঁশের মত ক্ষয়ে ক্ষয়ে চলাচলের অযোগ্য

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কচুয়া -তেতৈয়া  সড়কটি উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষের  চলাচলের জন্য  একমাত্র সড়ক পথ। এ পথ ধরে কচুয়ার উত্তরাঞ্চলের অন্তত ২০ টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ  যাতায়াত করে থাকেন। বিশেষ করে কচুয়া পৌরসভাধীন মাসিমপুর, ধামালুয়া, উত্তর কচুয়া  মুন্সিবাড়ির লোকজন। এছাড়াও উপজেলার সাত নম্বর  সদর ইউনিয়নের  কোমরকাশা, মিঞাবাড়ী, ধলিকচুয়া, আন্দিরপাড়, হোসেনপুর ও বদরপুর গ্রামের বাসিন্দারা এ সড়ক হয়ে কচুয়া ও বিভিন্ন জেলা শহরে যাতায়াত করে থাকেন। উপজেলার  ৬ নং উত্তর কচুয়া ইউনিয়নের তেতৈয়া, জলা  তেতৈয়া, নাহারা,উজানী,  খিড্ডা, দারচর, নোয়াদ্দা,লতিফপুর বাইছাড়া, তিলকিয়া ভিটা, সিং আড্ডা,বরুচরসহ পার্শ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলার কড়ইয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের লোকজন এ পথ ব্যবহার করে কচুয়ার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। বিশেষ করে  এসব গ্রামের ক্ষুদে স্কুল শিক্ষার্থীরা  এ সড়ক ব্যবহার করে কচুয়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও হযরত  শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা  করে থাকে। কিন্তু সড়কটির কচুয়া  পৌরসভাধীন  সাব-রেজিস্ট্রার অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে কোমরকাশা  পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার অংশের বেহাল দশা থাকায় সড়কটিতে চলাচলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অতি বৃষ্টির কারণে সড়কের গর্তে পানি আটকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। 


কচুয়া - তেতৈয়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও গর্তে ভরা। যা যানবাহন ও পথচারীদের জন্য মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কটির সম্মুখভাগে রয়েছে কচুয়া  সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। যেখানে কচুয়া  উপজেলার সাড়ে ৪ লক্ষ   মানুষজন তাদের জমিজমা রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধনের কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সেবা নিয়ে থাকেন। তাদেরকেও এ পথ ব্যবহারে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

 

❝সড়কের বিভিন্ন স্থানে পচা মাছের আঁশের মত ক্ষয়ে ক্ষয়ে  সড়কটির  পিস উঠে গিয়ে  যান ও জন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে❞


সড়কটি সংস্কারের পাশাপাশি দুই পাশে গাইড ওয়াল নির্মাণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। 

এই সড়কটি শুধু পৌর এলাকাই নয়। উপজেলার উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের লক্ষাধীক মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম এ সড়কটি।

পৌরসভাধীন ধামালুয়া  গ্রামের অধিবাসী ও বিএনপি নেতা হাবিব উল্লাহ হাবিব জানিয়েছেন - সড়কটির কচুয়া পৌরসভা অংশের অবস্থা খুবই খারাপ। অতিবৃষ্টি হওয়ায় ও গাইডওয়াল  না থাকায় সড়কটির অবস্থা আরো ভয়াবহ। স্থানীয়দের পারাপারে সড়কটি সংস্কার করা জরুরী। 

কচুয়া উপজেলা স্থানীয় সরকার নির্বাহী প্রকৌশলী ( এলজিইডি) আব্দুল আলীম লিটন জানিয়েছেন- কচুয়া পৌরসভার বাইরের সড়ক গুলোর অন্তত ২৭ টি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ওই সড়কট এ তালিকায় রয়েছে কিনা দেখে বলতে হবে।


এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহমুদুল হাসান রাসেলকে একাধিকবার  কল করেও তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি ।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই