চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত ৮৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের চাঁনশিকারী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নায়েক মো. আমজাদ আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত টহল দলটি সীমান্ত পিলার ১৯৯/৪-এস থেকে প্রায় ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোলাহাট উপজেলার ১ নম্বর ভোলাহাট ইউনিয়নের হাউজফুল গ্রামের বুদ্ধ সুবেদারের আমবাগানে তল্লাশি চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকা ৮৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সিরাপের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় মাদক ও সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত ৮৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।
বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের চাঁনশিকারী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নায়েক মো. আমজাদ আলীর নেতৃত্বে পরিচালিত টহল দলটি সীমান্ত পিলার ১৯৯/৪-এস থেকে প্রায় ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোলাহাট উপজেলার ১ নম্বর ভোলাহাট ইউনিয়নের হাউজফুল গ্রামের বুদ্ধ সুবেদারের আমবাগানে তল্লাশি চালায়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকা ৮৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘Eskuf’ সিরাপ উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সিরাপের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় মাদক ও সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন