মুক্তির লড়াই

অর্থনীতি

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে নতুন রেকর্ড

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে নতুন রেকর্ড

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ও পদোন্নতিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে সরাসরি নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী এ সুযোগ পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসে। কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত মাত্র দুই বছরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১,২৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।


পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ১৪৪ জনকে এবং পদোন্নতি পেয়েছিলেন ৫৯৯ জন। অন্যদিকে, আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে সরাসরি নিয়োগের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০৮ জন এবং পদোন্নতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২৬৪ জনে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতির এই ধারা কর্মীদের দক্ষতা, সেবার মান এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেও কাজ অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬


জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে নতুন রেকর্ড

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ও পদোন্নতিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে সরাসরি নিয়োগ এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে অতীতের তুলনায় রেকর্ড সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী এ সুযোগ পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনাকারী এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসে। কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত মাত্র দুই বছরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১,২৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।


পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ১৪৪ জনকে এবং পদোন্নতি পেয়েছিলেন ৫৯৯ জন। অন্যদিকে, আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে সরাসরি নিয়োগের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০৮ জন এবং পদোন্নতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২৬৪ জনে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতির এই ধারা কর্মীদের দক্ষতা, সেবার মান এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেও কাজ অব্যাহত রয়েছে।



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই