কুমিল্লার বরুড়ায় বলাৎকারের অভিযোগে উপজেলা ছাত্র সেনা সভাপতিকে আটক করতে গিয়ে এসআই মিশন চৌধুরী সহ আনুমানিক আটজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) উপজেলার আড্ডা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আড্ডা বাজারে ফয়জুনে মদিনা মডেল মাদরাসায় বলাৎকারের অভিযোগ ওঠার পর পুলিশ অভিযুক্ত উপজেলা ছাত্র সেনা সভাপতি আতিক উল্লাহকে আটক করতে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
পরে পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিলে স্থানীয় কয়েকজন তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে এসআই মিশন চৌধুরীসহ আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আটককৃত আতিক উল্লাহ শশাইয়া এলাকার বাসিন্দা ও বরুড়া উপজেলা ছাত্র সেনার সভাপতি।
পরবর্তীতে পুলিশ অভিযুক্তকে নিরাপদে পুলিশের ভ্যানে করে বরুড়া থানায় নিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ সদস্যের উপর হামলার ঘটনায় আরো দুইজনকে আটক করা হয়।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করতে গেলে উত্তেজিত জনতার রোষানলে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় বলাৎকারের অভিযোগে উপজেলা ছাত্র সেনা সভাপতিকে আটক করতে গিয়ে এসআই মিশন চৌধুরী সহ আনুমানিক আটজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) উপজেলার আড্ডা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আড্ডা বাজারে ফয়জুনে মদিনা মডেল মাদরাসায় বলাৎকারের অভিযোগ ওঠার পর পুলিশ অভিযুক্ত উপজেলা ছাত্র সেনা সভাপতি আতিক উল্লাহকে আটক করতে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
পরে পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিলে স্থানীয় কয়েকজন তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে এসআই মিশন চৌধুরীসহ আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আটককৃত আতিক উল্লাহ শশাইয়া এলাকার বাসিন্দা ও বরুড়া উপজেলা ছাত্র সেনার সভাপতি।
পরবর্তীতে পুলিশ অভিযুক্তকে নিরাপদে পুলিশের ভ্যানে করে বরুড়া থানায় নিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ সদস্যের উপর হামলার ঘটনায় আরো দুইজনকে আটক করা হয়।
বরুড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করতে গেলে উত্তেজিত জনতার রোষানলে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন