মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

কচুয়ায় সড়কে-সড়কে বেহাল অবস্থা, দুর্ভোগে সাধারণ যাত্রীরা

কচুয়ায় সড়কে-সড়কে বেহাল অবস্থা, দুর্ভোগে সাধারণ যাত্রীরা

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সাচার-পাথৈর সড়ক এখন যেন জনদুর্ভোগের আরেক নাম। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন ¯স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে সড়কটি পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। আর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্কুল গ্রামী শিক্ষার্থী, চালক, পথচারী ও ¯স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সারা জমিনে দেখা যায় -উপজেলার সাচার ইউনিয়ন থেকে পাথৈর ইউনিয়ন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বেহাল অবস্থা সাচার পশ্চিম বাজার ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন অংশে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। পাশাপাশি রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সাচার জগন্নাথ মন্দির, যেখানে প্রতিদিনই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকে।  কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার গর্তে পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, তেমনি শিক্ষার্থীদেরও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।


এ সড়কে চলাচলকারী  চালক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ- বছরের পর বছর ধরে সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা  বিরাজ করলেও কার্যকর কোনো সংস্কার হচ্ছে  না। শুধু সাচার-পাথৈর সড়কই নয়, সাচার উত্তর বাজার থেকে নয়াকান্দি-রাগদৈল পর্যন্ত সড়কটিও একইভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত দুই সড়কের সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা জানান।

স্থানীয় সাচার কলেজের শিক্ষার্থী মালিহা,শাহিনুর ও সবুজসহ একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুই পাশে ও গর্তে পানি জমে যায়। তখন কাদা ও পানির কারণে আমাদের পোশাক নষ্ট হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।  তাই রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করা জরুরী। 

সাচার ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশির আলম বলেন, এ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে কলেজে যাতায়াত করে থাকে। বৃষ্টির সময় রাস্তার গর্তগুলো পানিতে ঢেকে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হয়।  শিক্ষার স্বার্থে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে সাচার জগন্নাথ মন্দিরের দপ্তর সম্পাদক রণজিত সরকার জানান, কিছুদিন আগে ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়েছে।  সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অনেক ভক্তবৃন্দ। তাই সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো: আব্দুল আলীম লিটন বলেন, উপজেলায় অনেক রাস্তা ভাঙ্গা ও বেহাল দশা। তালিকা তৈরি করে সড়কগুলো সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


কচুয়ায় সড়কে-সড়কে বেহাল অবস্থা, দুর্ভোগে সাধারণ যাত্রীরা

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সাচার-পাথৈর সড়ক এখন যেন জনদুর্ভোগের আরেক নাম। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন ¯স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে সড়কটি পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। আর চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্কুল গ্রামী শিক্ষার্থী, চালক, পথচারী ও ¯স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সারা জমিনে দেখা যায় -উপজেলার সাচার ইউনিয়ন থেকে পাথৈর ইউনিয়ন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বেহাল অবস্থা সাচার পশ্চিম বাজার ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন অংশে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। পাশাপাশি রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সাচার জগন্নাথ মন্দির, যেখানে প্রতিদিনই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকে।  কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার গর্তে পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, তেমনি শিক্ষার্থীদেরও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।


এ সড়কে চলাচলকারী  চালক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ- বছরের পর বছর ধরে সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা  বিরাজ করলেও কার্যকর কোনো সংস্কার হচ্ছে  না। শুধু সাচার-পাথৈর সড়কই নয়, সাচার উত্তর বাজার থেকে নয়াকান্দি-রাগদৈল পর্যন্ত সড়কটিও একইভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত দুই সড়কের সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা জানান।

স্থানীয় সাচার কলেজের শিক্ষার্থী মালিহা,শাহিনুর ও সবুজসহ একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুই পাশে ও গর্তে পানি জমে যায়। তখন কাদা ও পানির কারণে আমাদের পোশাক নষ্ট হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।  তাই রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করা জরুরী। 

সাচার ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশির আলম বলেন, এ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে কলেজে যাতায়াত করে থাকে। বৃষ্টির সময় রাস্তার গর্তগুলো পানিতে ঢেকে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হয়।  শিক্ষার স্বার্থে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি।


এদিকে সাচার জগন্নাথ মন্দিরের দপ্তর সম্পাদক রণজিত সরকার জানান, কিছুদিন আগে ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়েছে।  সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অনেক ভক্তবৃন্দ। তাই সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো: আব্দুল আলীম লিটন বলেন, উপজেলায় অনেক রাস্তা ভাঙ্গা ও বেহাল দশা। তালিকা তৈরি করে সড়কগুলো সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।


মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই