মিয়ানমারে পাচারের সময় কোস্ট গার্ডের জব্দ করা ৪৫০ বস্তা ডিএপি সারের একটি অংশ পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জব্দ তালিকাভুক্ত সার থেকে ৯০ বস্তা চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জুলধা এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে গোপনে বিক্রি করা হয়। পরে সেই সার সরিয়ে নেওয়ার সময় গত ২ আগস্ট কর্ণফুলী থানার পুলিশ ট্রাকসহ ৫০ বস্তা সার জব্দ করলে পুরো ঘটনা সামনে আসে। গত বুধবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আসামি করে কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে।
এর আগে গত ৩১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে মিয়ানমারে পাচারের সময় নগরীর পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৪৫০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করে কোস্টগার্ড। এ সময় সার পাচারে ব্যবহৃত একটি কার্গো বোট ও ঘটনায় জড়িত ২৩ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পতেঙ্গা থানাধীন কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজিবুল ইসলাম তানভীর, এএসআই শম্ভু নাথ ও কনস্টেবল আলাউদ্দিনের যোগসাজশে জব্দ করা সার থেকে ৯০ বস্তা বিক্রি করা হয়। বিক্রীত এসব সার সরিয়ে নেওয়ার সময় কর্ণফুলী থানাধীন শাহমীরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. শফি উল্লাহ জুলধা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাকসহ ৫০ বস্তা সার আটক করেন। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজিবুল ইসলাম তানভীর বলেন, সারগুলো যেভাবে জব্দ করা হয়েছিল সেভাবেই আছে। বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
পতেঙ্গা থানার ওসি পারভেজ আলী বলেন, জব্দ করা সার বিক্রির অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অন্যদিকে কর্ণফুলী থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, প্রাথমিক তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও নাম এলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
সিএমপির বন্দর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন,ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন,তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
মিয়ানমারে পাচারের সময় কোস্ট গার্ডের জব্দ করা ৪৫০ বস্তা ডিএপি সারের একটি অংশ পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জব্দ তালিকাভুক্ত সার থেকে ৯০ বস্তা চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জুলধা এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে গোপনে বিক্রি করা হয়। পরে সেই সার সরিয়ে নেওয়ার সময় গত ২ আগস্ট কর্ণফুলী থানার পুলিশ ট্রাকসহ ৫০ বস্তা সার জব্দ করলে পুরো ঘটনা সামনে আসে। গত বুধবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আসামি করে কর্ণফুলী থানায় মামলা হয়েছে।
এর আগে গত ৩১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে মিয়ানমারে পাচারের সময় নগরীর পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের ৪৫০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করে কোস্টগার্ড। এ সময় সার পাচারে ব্যবহৃত একটি কার্গো বোট ও ঘটনায় জড়িত ২৩ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পতেঙ্গা থানাধীন কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজিবুল ইসলাম তানভীর, এএসআই শম্ভু নাথ ও কনস্টেবল আলাউদ্দিনের যোগসাজশে জব্দ করা সার থেকে ৯০ বস্তা বিক্রি করা হয়। বিক্রীত এসব সার সরিয়ে নেওয়ার সময় কর্ণফুলী থানাধীন শাহমীরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. শফি উল্লাহ জুলধা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাকসহ ৫০ বস্তা সার আটক করেন। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজিবুল ইসলাম তানভীর বলেন, সারগুলো যেভাবে জব্দ করা হয়েছিল সেভাবেই আছে। বিক্রির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
পতেঙ্গা থানার ওসি পারভেজ আলী বলেন, জব্দ করা সার বিক্রির অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অন্যদিকে কর্ণফুলী থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, প্রাথমিক তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তে অন্য কারও নাম এলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
সিএমপির বন্দর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন,ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন,তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন