মুক্তির লড়াই

সারাদেশ

কচুয়ায় ১২০টি অবৈধ রিং জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস

কচুয়ায় ১২০টি অবৈধ রিং জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস

চাঁদপুরের কচুয়ায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২০টি অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন বিল ও জলাশয়ে  ট্রলারযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘুগড়ার বিল, রাজারামপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বিলে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কচুয়া উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও সাচার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ জহিরুল ইসলাম। এ সময় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রহমানসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


উপজেলা  সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা  মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা, ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তিনি  আরও বলেন, দেশীয় মাছ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল ব্যবহার ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া  মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

মুক্তির লড়াই

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


কচুয়ায় ১২০টি অবৈধ রিং জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের কচুয়ায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১২০টি অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন বিল ও জলাশয়ে  ট্রলারযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘুগড়ার বিল, রাজারামপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বিলে রাখা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।


অভিযানে নেতৃত্ব দেন কচুয়া উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা ও সাচার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ জহিরুল ইসলাম। এ সময় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রহমানসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


উপজেলা  সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা  মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা, ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী নির্বিচারে ধরা পড়ে। এতে মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তিনি  আরও বলেন, দেশীয় মাছ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অবৈধ জাল ব্যবহার ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া  মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।



মুক্তির লড়াই

সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুজ্জামান জনি
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত মুক্তির লড়াই